ভারতে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভারতে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪

ইবি প্রতিনিধি ॥ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ভারতীয় পুরোহিতের কটূক্তি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাস সংলগ্ন শেখপাড়া বাজার হয়ে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘লিল্লাহি তাকবীর, আল্লাহু আকবার’,’বিশ্বনবীর অপমান, সইবে নারে মুসলমান’, ‘আমার নেতা তোমার নেতা, বিশ্বনবী মুস্তফা’, ‘বিশ্বের মুসলিম এক হও লড়াই করো’, ‘পুরোহিতের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘সাবিলুনা সাবিলুনা, আল জিহাদ আল জিহাদ’, ‘বিজেপি নেতার দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’,’বদরের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

সমাবেশে মহানবীর কটূক্তির নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, মানবতার শ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা:)কে অপমান করার মধ্যে দিয়ে মানবতার আদর্শকে অপমান করা হয়েছে। পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্য ধর্মকে কটূক্তি করতে শেখায় না। যারা এসব করে তারা উগ্র। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাদের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। বারবার দেখতে পাওয়া যায় যে ভারতে শাসকগোষ্ঠী বিজেপি দ্বারা সংখ্যালঘুরা বিশেষ করে মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় বিদ্বেষ উস্কে দিচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. পৃথিবীর ১৭০ কোটি মুসলিমের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার পাত্র। তার অবমাননায় আমরা ব্যথিত হই। যে পুরোহিত এমন দৃষ্টতা দেখিয়েছে ও যে বিজেপি নেতা এর সমর্থন দিয়েছে দ্রুত আইনের আওতায় এনে তাদের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। আর যদি আল্লাহর রাসুলকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে তাদের বিরূদ্ধে শরীরে শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত আমরা লড়াই করে যাবো। আমরা চাই ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করা হোক এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক।