খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: এপ্রিল ৩০, ২০২৩
খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব

খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব। এখন বোরো মৌসুম। চারদিকে ধান মৌ মৌ ঘ্রাণ। মাঠ ভরা সোনালী ধানের ছড়া। দুলছে দখিন হাওয়ায়। এর সঙ্গে খুশির দুলুনি কৃষকের প্রাণে। স্বপ্ন দু’চোখ জুড়ে। সোনার ধান ঘরে আসবে। ভরে উঠবে গোলা। অতঃপর একটি বছর নিশ্চিন্তে পার করা। ইতোমধ্যে ফসল কাটা শুরু হয়ে গেছে।

খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব

খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব

খোকসায় বোরো ধানের শস্য কর্তন উৎসব

তবে সরকারিভাবে ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে কুষ্টিয়ার খোকসায় বোরো ধান কর্তন উৎসব শুরু হলো রবিবার (৩০’এপ্রিল) বৈশাখের ঠিক মাঝামাঝি। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ আনন্দ যজ্ঞের আয়োজন করে। উপজেলা পরিষদের জমিতে ধান কাটার মধ্য দিয়ে উৎসব পালন করা হয়।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, এবারে বোরো ধান লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৭৫ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে।

তবে এই এলাকার কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বঙ্গবন্ধু ধান-১০০। তুলনামূলক কম সময় এবং কম খরচে রোগবালাই ও পোকামাকড় আক্রমণ রোধ করার গুণসম্পন্ন এ ধান আবাদ করে বেশি ফলন পাওয়ায় আগামীতে এ ধানের আবাদ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের অন্যান্য ধান আবাদ করতে সময় লাগে ১৫৫ থেকে ১৬০ দিন। সেখানে বঙ্গবন্ধু-১০০ ধান আবাদ করতে সময় লাগছে মাত্র ১৪৫ থেকে ১৪৮ দিন। তা ছাড়া অন্যান্য ধানের চেয়ে এর ফলনও ভালো।

বোরো ধান কর্তন উৎসবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রিপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: বাবুল আক্তার।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ কুমার সাহা’র পরিচালনায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টিএইচও ডা: মো: কামরুজ্জামান সোহেল, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সাহিনা বেগম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা হাবিবুল্লাহ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা,বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেকেই।

এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ কুমার সাহা জানান, উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎকৃষ্ট জিংকসমৃদ্ধ এই বঙ্গবন্ধু ধান দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: