কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৩
কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

গাছ লাগিয়ে যত্ন করি সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৩ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বর্ণাঢ্য র‌্যালি করে বেলুন উড়িয়ে এবং ফিতা কেটে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি. এম. মোহাম্মদ কবিরের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আখতার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি বর্মন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড.হায়াত মাহমুদ।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিফাতুর রহমান, জিল্লুর রহমান, শারমীন নেওয়াজ, স্বরূপ মুহুরী, তানভীর হায়দায়, ঈষীতা রহমান সহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা বলেন ইন্ডিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট তারা একটা গবেষণা করে দেখেছেন একটি বৃক্ষ যদি আমরা রোপন করি আর তা যদি ৫০ বছর বেঁচে থাকে তার থেকে আমরা কি কি সুবিধা পেতে পারি, এটি বায়ু দূষণ থেকে যে পরিমাণ পরিবেশ রক্ষা করে তার আর্থিক মূল্য হল ১০ লক্ষ টাকা এবং যে অক্সিজেন দেয় তার আর্থিক মূল্য হল ৫ লক্ষ টাকা এছাড়াও বৃষ্টির যে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে তার আর্থিক মূল্য ৫ লক্ষ টাকা এবং মাটির ক্ষয় রোধ ও উর্বর শক্তি যে বৃদ্ধি করে তার আর্থিক মূল্য ৫ লক্ষ্ টাকা৷ প্রাণীদের খাদ্য দিয়ে যে সহায়তা করে সেটা যদি আমরা টাকার অংকে বিবেচনা করি তার মূল্য হল ৫ লক্ষ টাকা।

বিভিন্ন জীবজন্তু তাদের আশ্রয়নসহ যে খাবারের দোকান দেয় তার আর্থিক মূল্য হল ৪০ হাজার টাকা। মোট আর্থিক সুবিধার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫ লক্ষ ৪০ টাকা। গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে ১.৫° সেলসিয়াস, এতে করে সমুদ্র তীরবর্তী দেশ তলিয়ে যাবে, ২০৫০ সালে আমাদের বাংলাদেশের হাওর অঞ্চল সহ সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষ ফিফটিন পার্সেন্ট ক্লাইমেন্ট রিফিউজিং হিসেবে পরিণত হবে। যদিও গ্লোবাল ওয়ার্মিং এ বাংলাদেশের কন্ট্রিবিউশন খুবই কম তবুও ভৌগলিক অবস্থানের কারণে আমরা ফিফটি পার্সেন্ট ঝুঁকিপূর্ণ ।

কুষ্টিয়ায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন

এর আগে যে সিডর সহ যেসব ঘূর্ণিঝড় হয়েছে আমাদের যদি সুন্দরবন না থাকতো তাহলে ৬০ থেকে ৭০% মানুষ মারা যেত , এখান থেকে বোঝা যায় বৃক্ষরোপণ কিভাবে আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। আজকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তোমাদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হবে তোমরা এগুলা রোপণ করবে এবং পরিচর্যা করবে। তাই প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। যুদ্ধ পরবর্তী সময় ১৯৭২ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্যারেড গ্রাউন্ডের দুই পাশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গাছ লাগিয়েছিলেন আজকে ঢাকার মত একটি জায়গায় সবুজ শীতল ছায়া দিচ্ছে এই উদ্যানটি।

আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ সহ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুর দেখেন এবং ডিসি অফিস চত্বরে বৃক্ষরোপন করেন জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা।

আরও পড়ুন: