নিজ সংবাদ ॥ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের আয়োজনে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বাগুলাট ইউনিয়ন পরিষদ প্রঙ্গনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কৃষক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমন এবং সদস্য সচিব এ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল। এছ্ড়াাও কৃষক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন কষকদল, যুবদল, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মিরা।
কৃষক সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন এবং শুনেছেন, আজকের এই সমাবেশ কোন রাজনৈতিক সমাবেশ নয়। এটা কিন্তু একটা নতুন ধরনের সমাবেশ। আজকের এই সমাবেশ হচ্ছে মূলত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে। উনি বলেছেন বিগত দিনের স্বৈরাচারী, খুনি হাসিনা সরকার এদেশের কৃষকদেরকে কিভাবে নির্যাতন নীপিড়ন করেছেন তা আপনারা উনাদের কাছে যাবে এবং শুনবেন। আমরা আপনাদের কাছে এসেছি সেই নির্যাতন এবং নীপিড়নের কথা শুনতে। কিভাবে তারা এদেশের কৃষকদেরকে বঞ্চিত করেছে, কিভাবে তারা সিন্ডিকেট সৃষ্টি করে এদেশের কৃষি পণ্যসহ দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বি করেছে। সাংবাদিকরা লেখে পিঁয়াজের মূল্য সেঞ্চুরী করেছে।
কিন্তু পিঁয়াজের মূল্য সেঞ্চুরী করলেও এর কোন অংশ আমার কৃষক ভায়েরা পাইনা। এই সেঞ্চুরীর সমস্ত অংশই ঐ সিন্ডিকেট, ঐ খুনি হাসিনার দোসরদের পকেটে গিয়েছি। বিএনপির হাত ধরে এদেশের কৃষি এবং কৃষকদের যত উন্নয়ন হয়েছে । স্বাধীনতার পরে সারা পৃথিবীর মানুষ এই বাংলাদেশকে তলা বিহীন ঝুড়ি হিসাবে আখ্যা দিয়েছিলো। কিন্তু সেই তলা বিহীন ঝুড়িকে খাদ্য শস্য দিয়ে ভরপুর করেছিলো জাতীয়তাবাদী দল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যে ৩১ দফা দিয়েছে সেই ৩১ দফার ২৭তম দফায় পরিস্কার বলা আছে “কৃষি পণ্যের নায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে”। প্রয়োজনে প্রত্যেকটা ইউনিয়নে সরকারীভাবে কৃষি পণ্য ক্রয় করা হবে। কৃষক যাহাতে তার কৃষি পণ্যের নায্য দাম পাই। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে কৃষক ভাইদের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। কখনও অতি বৃষ্টি, কখনও অনাবৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। বিএনপি যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে কৃষি ঋণের মাধ্যমে তাদের এই সমস্ত দুরাবস্থার ক্ষতি পূরনের ব্যবস্থা করা হবে।
