ফল বিপর্যয়ের কারণ বের করে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে: প্রকৌশলী জাকির সরকার - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ফল বিপর্যয়ের কারণ বের করে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে: প্রকৌশলী জাকির সরকার 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ২, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ থেমে নেই কুষ্টিয়া বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনায় কুষ্টিয়া জেলা শাখার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উদ্যোগে এক মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনী ফল বিপর্যয়ের পর ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নেতাকর্মীদের মতামত, তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে নেওয়া হবে পদক্ষেপ। ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন সভার অংশ হিসেবে, গতকাল রবিবার (১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে সদর উপজেলার মনোহরদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মনোহরদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান হায়াত আলী ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি ইসমাইল হোসেন মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, জেলা বিএনপির সদস্য শহিদুজ্জামান খোকন, জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন প্রধান, সদর উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুজ্জামান জিকু ও আলমগীর হোসেন প্রমূখ।

এসময় প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, এই নির্বাচনে আমরা কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারিনি—এটি আমাদের জন্য আত্মসমালোচনার বিষয়। কোথায় আমাদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ছিল, কোথায় প্রচারণায় ঘাটতি ছিল, কোথায় সমন্বয়ের অভাব ছিল—এসব বিষয় খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। বিজয় যেমন আমাদের অনুপ্রাণিত করে, পরাজয় তেমনি আমাদের শিক্ষা দেয়। “নির্বাচনী ফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। তৃণমূলকে আরও সক্রিয় ও সুসংগঠিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জনগণের আস্থা ও সম্পৃক্ততা বাড়াতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে—দল শক্তিশালী হয় নেতাকর্মীদের ঐক্য, ত্যাগ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে। বিভক্তি নয়, ঐক্যই আমাদের শক্তি। তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করতে হবে। সভায় বক্তারা নির্বাচনী কৌশল, ভোটকেন্দ্রভিত্তিক তৎপরতা, প্রচার-প্রচারণা এবং কর্মীদের সমন্বয়ের ঘাটতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্বলতা দূর করতে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে পুনর্গঠনের ওপর জোর দেওয়ার উপরে গুরুত্বারোপ করা হয়।