রঞ্জুউর রহমান ॥ প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৪ এর জেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সোমবার (৬ জানুয়ারি ) সকাল দশটা জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এর আয়োজনে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত। প্রস্তুতিমূলক সভায় জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক, শিক্ষা ও আইসিটি) এবং উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি, কুষ্টিয়া) মোঃ আতোয়ার রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ তানভীর হোসেন, জেলা বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত বক্তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে যেমন প্রয়োজন শারীরিক সুস্থতা, তেমনই প্রয়োজন মানসিক সুস্থতা। নিয়মিত মাঠে খেলাধুলা শিশুদের উদ্দীপনা, কর্মক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে, হার ও জিতকে সহজে মেনে নিতে সাহায্য করে। তাই শিশুর জন্য মাঠে খেলার ব্যবস্থা করতে হবে। অবসর সময়ে পরিবারের সবাই মিলে টিম হয়েও শিশুর সঙ্গে বাইরে বা বাড়িতেই খেলাধুলা করতে পারেন। খোলা প্রান্তর বা মাঠের সঙ্গে দুরন্ত এক শৈশবের সম্পর্ক রয়েছে। মাঠ শিশু-কিশোরদের বিনোদনের একটি বড় অনুষঙ্গ। আজকের শহরে বড় হওয়া ছেলেমেয়েরা জানেই না খোলা মাঠে দৌড়ঝাঁপের মজাটা কী। মাঠ মানেই খোলা আকাশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। মাঠ মানেই অনেক শিশু-কিশোরের সঙ্গে মেলামেশা, যা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুর মনোজগৎ বিস্তৃত হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খেলাধুলার মাধ্যমে আস্তে আস্তে শিশুর শরীর, হাড় ও মাসল শক্তিশালী হয়। তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে।
নিয়মিত মাঠে খেলাধুলা শিশুদের উদ্দীপনা, কর্মক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।খোলা প্রান্তর বা মাঠের সঙ্গে দুরন্ত এক শৈশবের সম্পর্ক রয়েছে। মাঠ শিশু-কিশোরদের বিনোদনের একটি বড় অনুষঙ্গ। আজকের শহরে বড় হওয়া ছেলেমেয়েরা জানেই না খোলা মাঠে দৌড়ঝাঁপের মজাটা কী। মাঠ মানেই খোলা আকাশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। মাঠ মানেই অনেক শিশু-কিশোরের সঙ্গে মেলামেশা, যা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুর মনোজগৎ বিস্তৃত হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খেলাধুলার মাধ্যমে আস্তে আস্তে শিশুর শরীর, হাড় ও মাসল শক্তিশালী হয়। তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে। নিয়মিত মাঠে খেলাধুলা শিশুদের উদ্দীপনা, কর্মক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।খোলা প্রান্তর বা মাঠের সঙ্গে দুরন্ত এক শৈশবের সম্পর্ক রয়েছে। মাঠ শিশু-কিশোরদের বিনোদনের একটি বড় অনুষঙ্গ। আজকের শহরে বড় হওয়া ছেলেমেয়েরা জানেই না খোলা মাঠে দৌড়ঝাঁপের মজাটা কী। মাঠ মানেই খোলা আকাশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। মাঠ মানেই অনেক শিশু-কিশোরের সঙ্গে মেলামেশা, যা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুর মনোজগৎ বিস্তৃত হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খেলাধুলার মাধ্যমে আস্তে আস্তে শিশুর শরীর, হাড় ও মাসল শক্তিশালী হয়। তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে। নিয়মিত মাঠে খেলাধুলা শিশুদের উদ্দীপনা, কর্মক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।
