প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারের যোগসাজশে চলছে অনিয়ম - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারের যোগসাজশে চলছে অনিয়ম

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৪

কনক হোসেন ॥ ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকার রাস্তার কাজে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চলছে ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীদের পকেট ভরার দেনদরবার। দুর্নীতিগ্রস্ত ঠিকাদার হাফিজের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এক্স এন আব্দুর রাজ্জাক এবং কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমান যেনতেনভাবে কাজটি সম্পন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। ইতিপূর্বে দৈনিক খবরওয়ালা পত্রিকাতে এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পরেও নেওয়া হয়নি কোনো অফিসিয়াল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যাবস্থা। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী জানান তিনারা রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন রাস্তার কাজ তাদের মতে মোটামুটি ঠিকই আছে, এলজিডি নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক জানান রাস্তার কাজের অধিকাংশ ব্যয় হবে কার্পেটিং এর সামান্য লক্ষ্য টাকার কাজে কেন এতটা নজরদারি করছেন। ঠিকাদার হাফিজুর রহমান হাফিজ এবং প্রকৌশলীদের যোগসাজসেই তৈরি করছেন এরকম নাজেহাল অনিয়ন্ত্রিত ও  অনিরাপদ সড়ক। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের পদ্মার পাড় থেকে বেড় কালুয়ার মধ্য দিয়ে কালুয়া বাজার পার হয়ে প্রায় কয় ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত ৩. ৯২০ কিলোমিটার রাস্তার কাজে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানাযায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকার কাজ প্রাপ্ত হয় কুষ্টিয়ার ঠিকাদার হাফিজুর রহমান। নির্মাণ কাজের ঠিকাদার হাফিজুর রহমানের অনুকূলে কাজ নেওয়ার পর থেকেই চলছে ব্যাপক অনিয়ম, এমনটিই অভিযোগ ছিলো স্থানীয় এলাকাবাসীদের।  কাজটিতে অত্যন্ত নিম্নমানের নাম্বারবিহীন ইট ও মাটিযুক্ত বালু ব্যবহার করা হয়েছে। ইট ভাটার বাতিলকৃত ( পোড়ামাটির ন্যায় ) ইটের খোয়া দিয়েই চালানো হচ্ছে উক্ত রাস্তার কাজ। উক্ত রাস্তার কাজে সাবগ্রেড কম্প্যাকশনে ৭.৬২ সে: মি: থেকে শুরু করে ১০.০ সে: মি এক নম্বর ইটের খোয়া দেওয়ার কথা থাকলেও দিয়েছেন পোড়ামাটির মত দুর্বল ইটের খোয়া। এ বিষয়ে কি কি উদ্যোগ গ্রহণ করলেন উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমানের কাছে  জানতে চাইলে, উপজেলা প্রকৌশলী কোন প্রকারের তথ্য দিতে নারাজ  তিনি জানান এই বিষয়ে আমাদের কুষ্টিয়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক সাহেব নিউজ পরবর্তীতে রাস্তাটি পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না তার কাছে ফোন দিয়ে জেনে নেন। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি পুনরায় অপ্রসঙ্গিক কথাবার্তা বলে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং তিনি বলেন রাস্তার মূল কাজ কার্পেটিং এর কাজ এখনো হয়নি পরবর্তীতে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে কার্পেটিং এর কাজ ভালোভাবে করব আমরা। কিন্তু এখানে বিষয়টি হচ্ছে পিতা-মাতা ছাড়া সন্তান জন্ম দেওয়ার মত কল্পনাতীত কথা, মানে বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে গেলে কার্পেটিং তো সর্ব উপরের কাজ তার নিচে সাবগ্রেড তৈরিতে যে ধরনের দুর্বল কোর্স এগ্রিগেট বা ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা কম্পাকশন করা হয়েছে এবং তার উপরে যে স্ক্রিনিং করা হয়েছে তার স্থায?িত্ব নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ। সেখানে কার্পেটিং এর কথা কেন আসছে। তাহলে কি ঠিকাদার কর্তৃক প্রকৌশলী কোনভাবে ম্যানেজ হয়ে গেছে? যেহেতু রাস্তাটি পূর্ব নির্মিত বিটুমিনাস বা নমনীয় রাস্তা ছিলো, এবং তা পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে চাওয়ার কারণে রাস্তার কোনো সংস্করণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব হয়। যার জন্য বাংলাদেশ সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরপত্রের আহ্বানের মধ্য দিয়ে পুনরায় এই রাস্তাটি (ডইগ) বা ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম কার্য নির্দেশ দিয়ে সিডিউল প্রস্তুত করা হয়। প্রসিডিওর পরবর্তীতে কাজটি প্রাপ্ত হয় ঠিকাদার হাফিজ। কিন্তু (ডইগ) পদ্ধতিতে যেভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হয়ে থাকে তার কোন কাজই সঠিকভাবে করা হয়নি ঐ রাস্তাটিতে। ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম (ডইগ) রাস্তাগুলি তাদের শক্তি, স্থায?িত্ব এবং ভারী যানবাহনের বোঝা সহ্য করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। এগুলি সাধারণত অ্যাসফল্ট বা কংক্রিট সারফেস রাখার আগে রাস্তা নির্মাণে বেস বা সাব-বেস লেয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এক নজরে ডব্লিউবিএম পদ্ধতিতে রাস্তার কাজের কি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয় এবং কি কি কার্যাদেশ দেওয়া হয়ে থাকে তা সংক্ষিপ্ত আকারে দেখা যাক: ডইগ মানে ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম। এটি এমন এক ধরনের রাস্তা নির্মাণ পদ্ধতি যেখানে মোটা খোয়া একত্রে পানির সাথে আবদ্ধ করা হয় এবং তারপরে ঘন বেস কোর্স লেয়ার তৈরি করার জন্য কম্প্যাক্ট করা হয়। প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অন্তর্ভুক্ত করে: সাবগ্রেড প্রস্তুত করা, সাবগ্রেডটি যে কোনও গাছপালা, আলগা মাটি বা ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে এবং প্রয়োজনীয় ঘনত্ব অর্জনের জন্য মাটিকে সংকুচিত করে প্রস্তুত করা হয়। খোয়া বিছানো (ংঢ়ৎবধফরহম ধমমৎবমধঃবং): নির্দিষ্ট আকারের মোটা সমষ্টির একটি স্তর প্রস্তুত সাবগ্রেডে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং সমতল করা হয়। জল দেওয়া (ঢ়ড়ঁৎরহম ধিঃবৎ) : সঠিক বাঁধনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা অর্জনের জন্য সমষ্টিগুলিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জল দেওয়া হয়। ঘূর্ণায়মান (ৎড়ষষরহম): কম্প্যাক্ট করা স্তরটি তারপরে কাঙ্ক্ষিত ঘনত্ব এবং কম্প্যাকশন অর্জনের জন্য একটি রোড রোলার ব্যবহার করে রোল করা হয়। স্প্রেডিং স্ক্রীনিং (ংঢ়ৎবধফরহম ংপৎববহরহম) : বালি বা স্ক্রিনিংয়ের মতো সূক্ষ্ম সমষ্টির একটি স্ক্রীনিং স্তর তৈরি করে  তারপর কম্প্যাক্ট করা স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় যাতে যথাযথভাবে শূন্যস্থান পূরণ করা হয় এবং একটি মসৃণ পৃষ্ঠ সরবরাহ করা হয়। কম্প্যাকশন (পড়সঢ়ধপঃরড়হ) : স্ক্রীনিং লেয়ারটিকে রোলার ব্যবহার করে জল দেওয়া হয় এবং একটি ঘন এবং মসৃণ পৃষ্ঠ তৈরি করা হয়। এখন আসি ডইগ পদ্ধতিতে রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম (ডইগ) রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরনের মধ্যে প্রধান একটি উপকরণ হচ্ছে মোটা এগ্রিগেট, মোটা এগ্রিগেটগুলি সাধারণত জল-বান্ধব ম্যাকাডাম রাস্তা নির্মাণে ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে শক্ত জাতের চূর্ণ সমষ্টিগুলি হল ভাঙা খোয়া। ম্যাকাডাম রাস্তা নির্মাণের স্তরগুলির জন্য মোটা সমষ্টিগুলিকে যতদূর সম্ভব গ্রেডিং টেবিলের নীচে গ্রেড করা উচিত। ডইগ রাস্তা নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত মোটা সমষ্টিগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে!!! মোটা সমষ্টি টেকসই হতে হবে । লোড প্রতিরোধ করার জন্য এটি যথেষ্ট কঠিন হওয়া উচিত । মোটা সমষ্টির গ্রহণযোগ্য আকৃতি থাকা উচিত ।এটি ফ্ল্যাকি এবং দীর্ঘায?িত কতা থেকে মুক্ত হওয়া উচিত । ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস ডইগ রাস্তা নির্মাণের জন্য মোটা এগ্রিগেটের জন্য শারীরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দিষ্ট করেছে। আইআরসি অনুসারে সাব-বেস, বেস কোর্স এবং সারফেস কোর্সের নির্মাণ, রাস্তা নির্মাণ স্তরগুলির জন্য মোটা সমষ্টির লস অ্যাঞ্জেলেস ঘর্ষণ মান হল ৬০ %,৫০% এবং ৪০%, সাব -বেস, বেস কোর্স এবং সারফেস কোর্সের সামগ্রিক প্রভাবের মান হল ৫০ % ,৪০% এবং ৩০%। স্ক্রীনিং করা : মোটা সমষ্টির কম্প্যাক্ট করা স্তরে শূন্যতা বা ফাঁকা পূরণ করতে ডইগ রাস্তা নির্মাণে যে উপাদান ব্যবহার করা হয় তাকে স্ক্রীনিং বলে। মোটা সমষ্টিতে উপস্থিত শূন্যস্থান পূরণ করতে ব্যবহৃত হয়। মোটা এগ্রিগেটগুলি রোলারের সাহায্যে কম্প্যাক্ট করা হয়, কিন্তু সমষ্টিতে কিছু শূন্যতা বা ফাঁকা থাকে। সূক্ষ্ম সমষ্টির সাহায্যে এই শূন্যস্থানগুলো পূরণ করা খুবই প্রয়োজন। যদি মোটা এগ্রিগেটগুলির মধ্যে শূন্যস্থানগুলি সঠিকভাবে পূরণ না করা হয় এবং কম্প্যাক্ট করা না হয় তবে এটি রাস্তার লোড বহন ক্ষমতা হ্রাস করবে। এই কারণেই মোটা এগ্রিগেটগুলির কম্প্যাকশনের পরে স্ক্রীনিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডইগ রাস্তাগুলির স্ক্রীনিংয়ের জন্য গ্রেডিংয়ের প্রয়োজনীয়তাগুলি নিম্নরূপ । ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস কঙ্কর, মুরুম বা নুড়ির মতো নন-প্লাস্টিক উপাদান ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। এই উপাদান নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করা উচিত! এই উপাদানের তরল সীমা ২০% এর কম হওয়া উচিত । প্লাস্টিকতা সূচক ৬% এর কম হওয়া উচিত । সূক্ষ্ম পাসিং ০.০৭৫ মিমি সাইজের চালনির অংশটি ১০% এর কম হওয়া উচিত। বাঁধাই উপাদান ওয়াটার ম্যাকাডাম রাস্তা নির্মাণের জন্য যে বাঁধাই উপাদান ব্যবহার করা হয় তাতে একটি উপযুক্ত উপাদান থাকতে হবে যা প্রকৌশলী দ্বারা অনুমোদিত । ডাব্লুবিএম রোডে যে বাঁধাই উপাদান ব্যবহার করা হয় তার প্লাস্টিসিটি সূচক মান ৬-এর কম হওয়া উচিত । স্ক্রীনিং ব্যবহার করা হলে মুরুম বা নুড়ির মতো চূর্ণযোগ্য টাইপ ব্যবহার করা হলে বাঁধাই উপাদান প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। ডইগ রোডের নির্মাণ প্রক্রিয়া: ওয়াটার-বাউন্ড ম্যাকাডাম কোর্স গ্রহণের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রস্তুতি প্রথমত, বেস কোর্সের সাবগ্রেড প্রয়োজনীয় গ্রেড এবং ক্যাম্বারে প্রস্তুত করা হয় । রাস্তার উপরিভাগে থাকা নিম্নচাপ ও গর্তগুলো প্রয়োজনীয় গ্রেড এবং ক্যাম্বারে পৃষ্ঠকে পুনর্র্নিমাণ করে ঢেউগুলি সরানো হয়, যেখানে এটি প্রয়োজনীয়। যদি ডাব্লুবিএম রাস্তাটি বিদ্যমান পৃষ্ঠে সরবরাহ করতে হয়, মোটা সমষ্টি বিছানোর আগে ৫০ মিমি গভীরতা এবং ৫০ মিমি প্রস্থের ফুরোগুলিকে কিছু মিটার ব্যবধানে এবং ৪৫ ডিগ্রি ক্যারেজ পথের কেন্দ্র লাইনে কাটা হয়। পার্শ্বীয় বন্দিত্বের বিধান মোটা সমষ্টির পার্শ্বীয় সীমাবদ্ধতা প্রদানের জন্য, এটি প্রয়োজনীয় যে কম্প্যাক্টেড ডইগ স্তরের সমান পুরুত্ব থাকা কাঁধটি আগে থেকেই তৈরি করা উচিত। শোল্ডার নির্মাণে গুড আর্থ বা মুরুম ব্যবহার করা উচিত । কাঁধগুলি সঠিকভাবে প্রস্তুত এবং রোল করা হয় যাতে তাদের মধ্যে রাস্তার কাঠামো বজায় রাখা যায়। সমাপ্ত গঠনে খনন করা বেঞ্চ অংশে ডইগ রাস্তা নির্মাণের অনুশীলন সম্পূর্ণভাবে নিরুৎসাহিত করা উচিত। মোটা সমষ্টির বিস্তার রাস্তার ধারে সংরক্ষিত সমষ্টিগুলিকে প্রয়োজনীয় পরিমাণে প্রস্তুত বেসের উপর সমানভাবে এবং সমানভাবে গতি দেওয়া হয়। সাধারণত, সাধারণ রাস্তার জন্য ৭৫ মিমি পুরুত্ব দেওয়া হয় , যা একক স্তরের। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির জন্য , সমতুল্য ১৫০ মিমি কম্প্যাক্টেড পুরুত্বের দুটি স্তর দেওয়া হয়। যদি গ্রেডিং নম্বর ১ এর মোটা সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তবে স্তরটি ১০০ মিমি পুরুত্বে কম্প্যাক্ট করা হয়। কোর্স সমষ্টি ছড়িয়ে পরে, তারপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া এক করা হয়, যা ঘূর্ণায়মান হয়. মোট ৬ থেকে ১০ টন ওজনের তিন চাকার পাওয়ার রোলারের সাহায্যে রোলিং করা হয়। ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়াটি দক্ষ তত্ত্বাবধানে করা হয় কারণ ওয়াটার ম্যাকাডাম রোড পৃষ্ঠের সঠিক সমাপ্তি ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে। রোলারটি ওয়াটার ম্যাকাডাম রোডের পুরো পৃষ্ঠের উপর দিয়ে সমানভাবে যেতে হবে। রোলারের গতি ধীর এবং অভিন্ন হওয়া উচিত। রোলিং অফ ওয়াটার ম্যাকাডাম রোডের প্রক্রিয়াটি রাস্তার প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া উচিত এবং এটিকে মুকুটে নিয়ে যাওয়া উচিত। রাস্তার ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়া চলাকালীন সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত যে প্রতিটি ধারাবাহিক স্ট্রিপ অবশ্যই পূর্ববর্তী স্ট্রিপের সাথে ওভারল্যাপ হবে। রোলিং প্রক্রিয়াটি দক্ষ তত্ত্বাবধানে করা উচিত অন্যথায়, এটি রাস্তার সমাপ্তিকে প্রভাবিত করবে। রোলিং প্রক্রিয়াটি রাস্তার ভিতরের বা নীচের প্রান্ত থেকে রাস্তার বাইরের প্রান্তের দিকে করা উচিত। স্ক্রীনিং এর প্রয়োগ মোটা সমষ্টির ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে, স্ক্রীনিংগুলি শূন্যস্থানে পূর্ণ হয়। স্ক্রীনিং সাধারণত তিন বা ততোধিক স্তরে প্রয়োগ করা হয়। এটি রাস্তায় অভিন্নভাবে করা উচিত। প্রতিটি রাস্তা নির্মাণ স্তর শুকনো রোলিং দ্বারা কম্প্যাক্ট করা উচিত অন্যথায়, সঠিক কম্প্যাকশন করা না হলে রাস্তাটি পরা শুরু হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাস্তার যতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে বাস্তবে তার চিত্র সম্পন্নটাই ভিন্ন! স্বরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি করা হচ্ছে। বালুর পরিবর্তে কাদামাটি দিয়ে তার ওপর নিম্নমানের বাতিলকৃত ইটের খোয়া ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিম্নমানের ইটের ভাঙা অংশ রাবিশ দিয়ে কাজ করে হচ্ছে। পুরোনো সড?কের ড্যামেজ উপাদান ও গোঁজামিলি নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। নেই কোন তদারকি নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন নির্দেশনা। এলাকার মানুষের দাবি এই কাজ বন্ধ করা হোক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তা প্রধানেরা ঠিকাদারের কাছে মেনেজ প্রাপ্ত এমনটি অভিযোগ করলেন এলাকাবাসী। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের মেগা প্রজেক্ট সহ গ্রাম বাংলার পল্লী এলাকার শহর বন্দরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪২ সালকে লক্ষ্য রেখে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার এক বদ্ধপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা একা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রত্যেকটি নাগরিককে স্ব স্ব জায়গা থেকে সচেতন ভূমিকায় থাকতে হবে। প্রত্যেকটি দপ্তর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণকে বিশুদ্ধভাবে সরকারের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। কিন্তু সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার চিত্র সম্পূর্ণই আলাদা দেখা যায়। বর্তমান কুষ্টিয়াতে কিছু অসাধু ঠিকাদার এবং অসাধু কর্মকর্তা কিভাবে বাংলাদেশ সরকারকে পিছিয়ে রাখা যায়, কিভাবে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্যকে ব্যর্থ করে দেওয়া যায় সেই অপচেষ্টায় লিপ্ত। সেরকমই এক চিত্র ভেসে উঠেছে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড়কালুয়া জেলে পাড়া মোড়  থেকে কালুয়া বাজারের মধ্য দিয়ে প্রায় কয়া ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত এই রাস্তার কাজে। অদৃশ্য শক্তি বলে ঠিকাদার হাফিজ কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে বুক ফুলিয়ে, মুখ উঁচিয়ে, দেদারসে অনিয়মের সাথে উক্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার কাজ চলাকালীন সময়ে কোন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী বা উপজেলা প্রকৌশলীকে সরজমিনে দেখা যায়নি। এলাকার স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর দ্বারস্থ হয়। তবুও এর কোন সুরাহা হয়নি। এলাকাবাসীর দাবি রাস্তায় যে মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে তাকে কোন ইট বলা যায় না, গ্রামের মানুষেরা যে পোড়ামাটি দিয়ে একসময় দাঁত মাজতো এই ধরনের পোড়ামাটি দিয়েই রাস্তার কাজ চালানো হচ্ছে। স্বরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইটের খোয়ার উপর দিয়ে রোলিং করার পর উক্ত খোয়াগুলো ভেঙে তুষ হয়ে যাচ্ছে। এবং রাস্তাতে খোয়াগুলো সঠিকভাবে রোলিং করার জন্য পানি দেওয়া হয়ে থাকে, কিন্তু পানি দেওয়ার পর খোয়া কাঁদাতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, এই রাস্তার কাজ তদারকিতে কুমারখালী উপজেলার এলজিডির কর্মকর্তাদের গাফিলতি আছে, বলেও অভিযোগ করেন। এলজিইডির ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রকল্পে রাস্তার কাজের অনুকূলে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয় উক্ত কাজের জন্য । এ প্রকল্পের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাস্তায় নিম্নমানের ইট খোয়াসহ নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করছে। এলাকাবাসীর দেওয়া অনিয়মের অভিযোগের পর কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলেও এখনও অনিয়মের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে উক্ত কাজ সমাপ্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদার মো. হাফিজুর রহমান। সার্বিক সহযোগিতা করছেন এলজিডির প্রকৌশলীরা। এ রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের ফলে কিছু দিনের মধ্যেই রাস্তাটি ভেঙে জলে চলে যেতে পারে সরকারি টাকা। কয়েক মাস যেতে না যেতেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে এসব সড়ক। ফলে সরকারি বরাদ্দ অবমূল্যায়নের ফলে দুর্ভোগের শিকার হতে হয় এলাকাবাসীদের। াস্তার কাজে স্থানীয় সরকার প্রকৗশল অধিদপ্তরের (এলজিইডির) কাউকেই এসে তদারকি করতে দেখা যায় নি। অথচ ইটে পা দিয়ে চাপ দিলে তা ভেঙে তুষ হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা  বলেন,  ঠিাকাদারকে টেন্ডারের চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার কথা বললেও কোনো তোয়াক্কা না করে অনুমোদন বিহীন নিম্নমানের বালি ও খোয়া ব্যবহার করেছেন। কোনরকম গোঁজামিলি দিয়ে কাজ সম্পূর্ণ করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্ত ঠিকাদার হাফিজুর রহমানের কাছে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে উক্ত বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, এত কাজ রেখে আমার কাজই আপনাদের চোখে পড?ল। এবং তিনি তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন পরিচয় তুলে ধরতে থাকেন মুঠোফোনে। এবং পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন আপনি এখন বোঝেন নিউজ করবেন কি করবেন না।

এলজিইডির কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে পুনরায় যোগাযোগ করলে, তিনি জানান যে, এই বিষয়ে আমি আপনাকে কোন কথাই বলতে চাচ্ছি না আপনি এলজিডির জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলুন । এ বিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাককে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে এই বিষয়ে তিনি কি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন কোটি ৪৭ লক্ষ টাকার রাস্তার কাজে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চলছে ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীদের পকেট ভরার দেনদরবার। দুর্নীতিগ্রস্ত ঠিকাদার হাফিজের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এক্স এন আব্দুর রাজ্জাক এবং কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমান যেনতেনভাবে কাজটি সম্পন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। ইতিপূর্বে দৈনিক খবরওয়ালা পত্রিকাতে এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পরেও নেওয়া হয়নি কোনো অফিসিয়াল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যাবস্থা। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী জানান তিনারা রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন রাস্তার কাজ তাদের মতে মোটামুটি ঠিকই আছে, এলজিডি নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক জানান রাস্তার কাজের অধিকাংশ ব্যয় হবে কার্পেটিং এর সামান্য লক্ষ্য টাকার কাজে কেন এতটা নজরদারি করছেন। ঠিকাদার হাফিজুর রহমান হাফিজ এবং প্রকৌশলীদের যোগসাজসেই তৈরি করছেন এরকম নাজেহাল অনিয়ন্ত্রিত ও  অনিরাপদ সড়ক। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের পদ্মার পাড় থেকে বেড় কালুয়ার মধ্য দিয়ে কালুয়া বাজার পার হয়ে প্রায় কয় ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত ৩. ৯২০ কিলোমিটার রাস্তার কাজে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানাযায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকার কাজ প্রাপ্ত হয় কুষ্টিয়ার ঠিকাদার হাফিজুর রহমান। নির্মাণ কাজের ঠিকাদার হাফিজুর রহমানের অনুকূলে কাজ নেওয়ার পর থেকেই চলছে ব্যাপক অনিয়ম, এমনটিই অভিযোগ ছিলো স্থানীয় এলাকাবাসীদের।  কাজটিতে অত্যন্ত নিম্নমানের নাম্বারবিহীন ইট ও মাটিযুক্ত বালু ব্যবহার করা হয়েছে। ইট ভাটার বাতিলকৃত ( পোড়ামাটির ন্যায় ) ইটের খোয়া দিয়েই চালানো হচ্ছে উক্ত রাস্তার কাজ। উক্ত রাস্তার কাজে সাবগ্রেড কম্প্যাকশনে ৭.৬২ সে: মি: থেকে শুরু করে ১০.০ সে: মি এক নম্বর ইটের খোয়া দেওয়ার কথা থাকলেও দিয়েছেন পোড়ামাটির মত দুর্বল ইটের খোয়া। এ বিষয়ে কি কি উদ্যোগ গ্রহণ করলেন উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমানের কাছে  জানতে চাইলে, উপজেলা প্রকৌশলী কোন প্রকারের তথ্য দিতে নারাজ  তিনি জানান এই বিষয়ে আমাদের কুষ্টিয়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক সাহেব নিউজ পরবর্তীতে রাস্তাটি পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না তার কাছে ফোন দিয়ে জেনে নেন। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি পুনরায় অপ্রসঙ্গিক কথাবার্তা বলে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং তিনি বলেন রাস্তার মূল কাজ কার্পেটিং এর কাজ এখনো হয়নি পরবর্তীতে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে কার্পেটিং এর কাজ ভালোভাবে করব আমরা। কিন্তু এখানে বিষয়টি হচ্ছে পিতা-মাতা ছাড়া সন্তান জন্ম দেওয়ার মত কল্পনাতীত কথা, মানে বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে গেলে কার্পেটিং তো সর্ব উপরের কাজ তার নিচে সাবগ্রেড তৈরিতে যে ধরনের দুর্বল কোর্স এগ্রিগেট বা ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা কম্পাকশন করা হয়েছে এবং তার উপরে যে স্ক্রিনিং করা হয়েছে তার স্থায?িত্ব নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ। সেখানে কার্পেটিং এর কথা কেন আসছে। তাহলে কি ঠিকাদার কর্তৃক প্রকৌশলী কোনভাবে ম্যানেজ হয়ে গেছে? যেহেতু রাস্তাটি পূর্ব নির্মিত বিটুমিনাস বা নমনীয় রাস্তা ছিলো, এবং তা পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে চাওয়ার কারণে রাস্তার কোনো সংস্করণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব হয়। যার জন্য বাংলাদেশ সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরপত্রের আহ্বানের মধ্য দিয়ে পুনরায় এই রাস্তাটি (ডইগ) বা ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম কার্য নির্দেশ দিয়ে সিডিউল প্রস্তুত করা হয়। প্রসিডিওর পরবর্তীতে কাজটি প্রাপ্ত হয় ঠিকাদার হাফিজ। কিন্তু (ডইগ) পদ্ধতিতে যেভাবে রাস্তা নির্মাণ করা হয়ে থাকে তার কোন কাজই সঠিকভাবে করা হয়নি ঐ রাস্তাটিতে। ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম (ডইগ) রাস্তাগুলি তাদের শক্তি, স্থায?িত্ব এবং ভারী যানবাহনের বোঝা সহ্য করার ক্ষমতার জন্য পরিচিত। এগুলি সাধারণত অ্যাসফল্ট বা কংক্রিট সারফেস রাখার আগে রাস্তা নির্মাণে বেস বা সাব-বেস লেয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এক নজরে ডব্লিউবিএম পদ্ধতিতে রাস্তার কাজের কি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয় এবং কি কি কার্যাদেশ দেওয়া হয়ে থাকে তা সংক্ষিপ্ত আকারে দেখা যাক: ডইগ মানে ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম। এটি এমন এক ধরনের রাস্তা নির্মাণ পদ্ধতি যেখানে মোটা খোয়া একত্রে পানির সাথে আবদ্ধ করা হয় এবং তারপরে ঘন বেস কোর্স লেয়ার তৈরি করার জন্য কম্প্যাক্ট করা হয়। প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অন্তর্ভুক্ত করে: সাবগ্রেড প্রস্তুত করা, সাবগ্রেডটি যে কোনও গাছপালা, আলগা মাটি বা ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে এবং প্রয়োজনীয় ঘনত্ব অর্জনের জন্য মাটিকে সংকুচিত করে প্রস্তুত করা হয়। খোয়া বিছানো (ংঢ়ৎবধফরহম ধমমৎবমধঃবং): নির্দিষ্ট আকারের মোটা সমষ্টির একটি স্তর প্রস্তুত সাবগ্রেডে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং সমতল করা হয়। জল দেওয়া (ঢ়ড়ঁৎরহম ধিঃবৎ) : সঠিক বাঁধনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা অর্জনের জন্য সমষ্টিগুলিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জল দেওয়া হয়। ঘূর্ণায়মান (ৎড়ষষরহম): কম্প্যাক্ট করা স্তরটি তারপরে কাঙ্ক্ষিত ঘনত্ব এবং কম্প্যাকশন অর্জনের জন্য একটি রোড রোলার ব্যবহার করে রোল করা হয়। স্প্রেডিং স্ক্রীনিং (ংঢ়ৎবধফরহম ংপৎববহরহম) : বালি বা স্ক্রিনিংয়ের মতো সূক্ষ্ম সমষ্টির একটি স্ক্রীনিং স্তর তৈরি করে  তারপর কম্প্যাক্ট করা স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় যাতে যথাযথভাবে শূন্যস্থান পূরণ করা হয় এবং একটি মসৃণ পৃষ্ঠ সরবরাহ করা হয়। কম্প্যাকশন (পড়সঢ়ধপঃরড়হ) : স্ক্রীনিং লেয়ারটিকে রোলার ব্যবহার করে জল দেওয়া হয় এবং একটি ঘন এবং মসৃণ পৃষ্ঠ তৈরি করা হয়। এখন আসিডইগ পদ্ধতিতে রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম (ডইগ) রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরনের মধ্যে প্রধান একটি উপকরণ হচ্ছে মোটা এগ্রিগেট, মোটা এগ্রিগেটগুলি সাধারণত জল-বান্ধব ম্যাকাডাম রাস্তা নির্মাণে ব্যবহৃত হয় যার মধ্যে শক্ত জাতের চূর্ণ সমষ্টিগুলি হল ভাঙা খোয়া। ম্যাকাডাম রাস্তা নির্মাণের স্তরগুলির জন্য মোটা সমষ্টিগুলিকে যতদূর সম্ভব গ্রেডিং টেবিলের নীচে গ্রেড করা উচিত। ডইগ রাস্তা নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত মোটা সমষ্টিগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে!!! মোটা সমষ্টি টেকসই হতে হবে । লোড প্রতিরোধ করার জন্য এটি যথেষ্ট কঠিন হওয়া উচিত । মোটা সমষ্টির গ্রহণযোগ্য আকৃতি থাকা উচিত ।এটি ফ্ল্যাকি এবং দীর্ঘায?িত কতা থেকে মুক্ত হওয়া উচিত । ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস ডইগ রাস্তা নির্মাণের জন্য মোটা এগ্রিগেটের জন্য শারীরিক প্রয়োজনীয়তা নির্দিষ্ট করেছে। আইআরসি অনুসারে সাব-বেস, বেস কোর্স এবং সারফেস কোর্সের নির্মাণ, রাস্তা নির্মাণ স্তরগুলির জন্য মোটা সমষ্টির লস অ্যাঞ্জেলেস ঘর্ষণ মান হল ৬০ %,৫০% এবং ৪০%, সাব-বেস, বেস কোর্স এবং সারফেস কোর্সের সামগ্রিক প্রভাবের মান হল ৫০ % ,৪০% এবং ৩০%। স্ক্রীনিং করা : মোটা সমষ্টির কম্প্যাক্ট করা স্তরে শূন্যতা বা ফাঁকা পূরণ করতে ডইগ রাস্তা নির্মাণে যে উপাদান ব্যবহার করা হয় তাকে স্ক্রীনিং বলে। মোটা সমষ্টিতে উপস্থিত শূন্যস্থান পূরণ করতে ব্যবহৃত হয়। মোটা এগ্রিগেটগুলি রোলারের সাহায্যে কম্প্যাক্ট করা হয়, কিন্তু সমষ্টিতে কিছু শূন্যতা বা ফাঁকা থাকে। সূক্ষ্ম সমষ্টির সাহায্যে এই শূন্যস্থানগুলো পূরণ করা খুবই প্রয়োজন। যদি মোটা এগ্রিগেটগুলির মধ্যে শূন্যস্থানগুলি সঠিকভাবে পূরণ না করা হয় এবং কম্প্যাক্ট করা না হয় তবে এটি রাস্তার লোড বহন ক্ষমতা হ্রাস করবে। এই কারণেই মোটা এগ্রিগেটগুলির কম্প্যাকশনের পরে স্ক্রীনিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডইগ রাস্তাগুলির স্ক্রীনিংয়ের জন্য গ্রেডিংয়ের প্রয়োজনীয়তাগুলি নিম্নরূপ । ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস কঙ্কর, মুরুম বা নুড়ির মতো নন-প্লাস্টিক উপাদান ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। এই উপাদান নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করা উচিত! এই উপাদানের তরল সীমা ২০% এর কম হওয়া উচিত । প্লাস্টিকতা সূচক ৬% এর কম হওয়া উচিত । সূক্ষ্ম পাসিং ০.০৭৫ মিমি সাইজের চালনির অংশটি ১০% এর কম হওয়া উচিত। বাঁধাই উপাদান ওয়াটার ম্যাকাডাম রাস্তা নির্মাণের জন্য যে বাঁধাই উপাদান ব্যবহার করা হয় তাতে একটি উপযুক্ত উপাদান থাকতে হবে যা প্রকৌশলী দ্বারা অনুমোদিত । ডাব্লুবিএম রোডে যে বাঁধাই উপাদান ব্যবহার করা হয় তার প্লাস্টিসিটি সূচক মান ৬-এর কম হওয়া উচিত । স্ক্রীনিং ব্যবহার করা হলে মুরুম বা নুড়ির মতো চূর্ণযোগ্য টাইপ ব্যবহার করা হলে বাঁধাই উপাদান প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। ডইগ রোডের নির্মাণ প্রক্রিয়া: ওয়াটার-বাউন্ড ম্যাকাডাম কোর্স গ্রহণের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রস্তুতি প্রথমত, বেস কোর্সের সাবগ্রেড প্রয়োজনীয় গ্রেড এবং ক্যাম্বারে প্রস্তুত করা হয় । রাস্তার উপরিভাগে থাকা নিম্নচাপ ও গর্তগুলো প্রয়োজনীয় গ্রেড এবং ক্যাম্বারে পৃষ্ঠকে পুনর্নির্মাণ করে ঢেউগুলি সরানো হয়, যেখানে এটি প্রয়োজনীয়। যদি ডাব্লুবিএম রাস্তাটি বিদ্যমান পৃষ্ঠে সরবরাহ করতে হয়, মোটা সমষ্টি বিছানোর আগে ৫০ মিমি গভীরতা এবং ৫০ মিমি প্রস্থের ফুরোগুলিকে কিছু মিটার ব্যবধানে এবং ৪৫ ডিগ্রি ক্যারেজ পথের কেন্দ্র লাইনে কাটা হয়। পার্শ্বীয় বন্দিত্বের বিধান মোটা সমষ্টির পার্শ্বীয় সীমাবদ্ধতা প্রদানের জন্য, এটি প্রয়োজনীয় যে কম্প্যাক্টেড ডইগ স্তরের সমান পুরুত্ব থাকা কাঁধটি আগে থেকেই তৈরি করা উচিত। শোল্ডার নির্মাণে গুড আর্থ বা মুরুম ব্যবহার করা উচিত । কাঁধগুলি সঠিকভাবে প্রস্তুত এবং রোল করা হয় যাতে তাদের মধ্যে রাস্তার কাঠামো বজায় রাখা যায়। সমাপ্ত গঠনে খনন করা বেঞ্চ অংশে ডইগ রাস্তা নির্মাণের অনুশীলন সম্পূর্ণভাবে নিরুৎসাহিত করা উচিত। মোটা সমষ্টির বিস্তার রাস্তার ধারে সংরক্ষিত সমষ্টিগুলিকে প্রয়োজনীয় পরিমাণে প্রস্তুত বেসের উপর সমানভাবে এবং সমানভাবে গতি দেওয়া হয়। সাধারণত, সাধারণ রাস্তার জন্য ৭৫ মিমি পুরুত্ব দেওয়া হয় , যা একক স্তরের। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির জন্য , সমতুল্য ১৫০ মিমি কম্প্যাক্টেড পুরুত্বের দুটি স্তর দেওয়া হয়। যদি গ্রেডিং নম্বর ১ এর মোটা সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তবে স্তরটি ১০০ মিমি পুরুত্বে কম্প্যাক্ট করা হয়। কোর্স সমষ্টি ছড়িয়ে পরে, তারপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া এক করা হয়, যা ঘূর্ণায়মান হয়. মোট ৬ থেকে ১০ টন ওজনের তিন চাকার পাওয়ার রোলারের সাহায্যে রোলিং করা হয়। ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়াটি দক্ষ তত্ত্বাবধানে করা হয় কারণ ওয়াটার ম্যাকাডাম রোড পৃষ্ঠের সঠিক সমাপ্তি ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে। রোলারটি ওয়াটার ম্যাকাডাম রোডের পুরো পৃষ্ঠের উপর দিয়ে সমানভাবে যেতে হবে। রোলারের গতি ধীর এবং অভিন্ন হওয়া উচিত। রোলিং অফ ওয়াটার ম্যাকাডাম রোডের প্রক্রিয়াটি রাস্তার প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া উচিত এবং এটিকে মুকুটে নিয়ে যাওয়া উচিত। রাস্তার ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়া চলাকালীন সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত যে প্রতিটি ধারাবাহিক স্ট্রিপ অবশ্যই পূর্ববর্তী স্ট্রিপের সাথে ওভারল্যাপ হবে। রোলিং প্রক্রিয়াটি দক্ষ তত্ত্বাবধানে করা উচিত অন্যথায়, এটি রাস্তার সমাপ্তিকে প্রভাবিত করবে। রোলিং প্রক্রিয়াটি রাস্তার ভিতরের বা নীচের প্রান্ত থেকে রাস্তার বাইরের প্রান্তের দিকে করা উচিত। স্ক্রীনিং এর প্রয়োগ মোটা সমষ্টির ঘূর্ণায়মান প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে, স্ক্রীনিংগুলি শূন্যস্থানে পূর্ণ হয়। স্ক্রীনিং সাধারণত তিন বা ততোধিক স্তরে প্রয়োগ করা হয়। এটি রাস্তায় অভিন্নভাবে করা উচিত। প্রতিটি রাস্তা নির্মাণ স্তর শুকনো রোলিং দ্বারা কম্প্যাক্ট করা উচিত অন্যথায়, সঠিক কম্প্যাকশন করা না হলে রাস্তাটি পরা শুরু হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাস্তার যতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে বাস্তবে তার চিত্র সম্পন্নটাই ভিন্ন! স্বরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি করা হচ্ছে। বালুর পরিবর্তে কাদামাটি দিয়ে তার ওপর নিম্নমানের বাতিলকৃত ইটের খোয়া ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিম্নমানের ইটের ভাঙা অংশ রাবিশ দিয়ে কাজ করে হচ্ছে। পুরোনো সড?কের ড্যামেজ উপাদান ও গোঁজামিলি নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। নেই কোন তদারকি নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন নির্দেশনা। এলাকার মানুষের দাবি এই কাজ বন্ধ করা হোক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তা প্রধানেরা ঠিকাদারের কাছে মেনেজ প্রাপ্ত এমনটি অভিযোগ করলেন এলাকাবাসী। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা প্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের মেগা প্রজেক্ট সহ গ্রাম বাংলার পল্লী এলাকার শহর বন্দরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪২ সালকে লক্ষ্য রেখে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার এক বদ্ধপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা একা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রত্যেকটি নাগরিককে স্ব স্ব জায়গা থেকে সচেতন ভূমিকায় থাকতে হবে। প্রত্যেকটি দপ্তর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণকে বিশুদ্ধভাবে সরকারের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। কিন্তু সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার চিত্র সম্পূর্ণই আলাদা দেখা যায়। বর্তমান কুষ্টিয়াতে কিছু অসাধু ঠিকাদার এবং অসাধু কর্মকর্তা কিভাবে বাংলাদেশ সরকারকে পিছিয়ে রাখা যায়, কিভাবে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্যকে ব্যর্থ করে দেওয়া যায় সেই অপচেষ্টায় লিপ্ত। সেরকমই এক চিত্র ভেসে উঠেছে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড়কালুয়া জেলে পাড়া মোড়  থেকে কালুয়া বাজারের মধ্য দিয়ে প্রায় কয়া ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত এই রাস্তার কাজে। অদৃশ্য শক্তি বলে ঠিকাদার হাফিজ কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে বুক ফুলিয়ে, মুখ উঁচিয়ে, দেদারসে অনিয়মের সাথে উক্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার কাজ চলাকালীন সময়ে কোন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী বা উপজেলা প্রকৌশলীকে সরজমিনে দেখা যায়নি। এলাকার স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর দ্বারস্থ হয়। তবুও এর কোন সুরাহা হয়নি। এলাকাবাসীর দাবি রাস্তায় যে মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে তাকে কোন ইট বলা যায় না, গ্রামের মানুষেরা যে পোড়ামাটি দিয়ে একসময় দাঁত মাজতো এই ধরনের পোড়ামাটি দিয়েই রাস্তার কাজ চালানো হচ্ছে। স্বরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইটের খোয়ার উপর দিয়ে রোলিং করার পর উক্ত খোয়াগুলো ভেঙে তুষ হয়ে যাচ্ছে। এবং রাস্তাতে খোয়াগুলো সঠিকভাবে রোলিং করার জন্য পানি দেওয়া হয়ে থাকে, কিন্তু পানি দেওয়ার পর খোয়া কাঁদাতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, এই রাস্তার কাজ তদারকিতে কুমারখালী উপজেলার এলজিডির কর্মকর্তাদের গাফিলতি আছে, বলেও অভিযোগ করেন। এলজিইডির ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রকল্পে রাস্তার কাজের অনুকূলে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয় উক্ত কাজের জন্য । এ প্রকল্পের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাস্তায় নিম্নমানের ইট খোয়াসহ নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করছে। এলাকাবাসীর দেওয়া অনিয়মের অভিযোগের পর কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলেও এখনও অনিয়মের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে উক্ত কাজ সমাপ্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদার মো. হাফিজুর রহমান। সার্বিক সহযোগিতা করছেন এলজিডির প্রকৌশলীরা। এ রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের ফলে কিছু দিনের মধ্যেই রাস্তাটি ভেঙে জলে চলে যেতে পারে সরকারি টাকা। কয়েক মাস যেতে না যেতেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে এসব সড়ক। ফলে সরকারি বরাদ্দ অবমূল্যায়নের ফলে দুর্ভোগের শিকার হতে হয় এলাকাবাসীদের। রাস্তার কাজে স্থানীয় সরকার প্রকৗশল অধিদপ্তরের (এলজিইডির) কাউকেই এসে তদারকি করতে দেখা যায় নি। অথচ ইটে পা দিয়ে চাপ দিলে তা ভেঙে তুষ হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা  বলেন,  ঠিাকাদারকে টেন্ডারের চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার কথা বললেও কোনো তোয়াক্কা না করে অনুমোদন বিহীন নিম্নমানের বালি ও খোয়া ব্যবহার করেছেন। কোনরকম গোঁজামিলি দিয়ে কাজ সম্পূর্ণ করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্ত ঠিকাদার হাফিজুর রহমানের কাছে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে উক্ত বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, এত কাজ রেখে আমার কাজই আপনাদের চোখে পড?ল। এবং তিনি তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন পরিচয় তুলে ধরতে থাকেন মুঠোফোনে। এবং পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন আপনি এখন বোঝেন নিউজ করবেন কি করবেন না। এলজিইডির কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে পুনরায় যোগাযোগ করলে, তিনি জানান যে, এই বিষয়ে আমি আপনাকে কোন কথাই বলতে চাচ্ছি না আপনি এলজিডির জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলুন । এ বিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাককে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে এই বিষয়ে তিনি কি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন জানতে চাইলে তিনি জানান যে, এই বিষয়ে স্বরজমিনে যেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি কিন্তু স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায় এলজিইডি প্রকৌশলীরা কোন প্রকারের ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি । তিনি আরো জানান পরবর্তীতে কার্পেটিং করার সময় আপনাদেরকে সাথে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করব। কিন্তু সাবগ্রেড প্রস্তুতেই পরিপূর্ণ অনিয়ম যেটার উপরে কার্পেটিং থাকবে সেই ভিত্তি যদি নড়বড়ে হয় কার্পেটিং ভালো করে কি হবে? সচেতন মহলের দাবি উক্ত রাস্তার কাজের অনীয়ম এবং দুর্নীতির সাথে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যে সমস্ত কর্মকর্তাগণ জড়িত রয়েছে তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখে এখনই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, নতুবা দেশের সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হয়ে অর্থনৈতিক মন্দা সহ উন্নত দেশের পরিণত হওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা তা পূরণে ব্যর্থ হবে।জানতে চাইলে তিনি জানান যে, এই বিষয়ে স্বরজমিনে যেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি কিন্তু স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায় এলজিইডি প্রকৌশলীরা কোন প্রকারের ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি । তিনি আরো জানান পরবর্তীতে কার্পেটিং করার সময় আপনাদেরকে সাথে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করব। কিন্তু সাবগ্রেড প্রস্তুতেই পরিপূর্ণ অনিয়ম যেটার উপরে কার্পেটিং থাকবে সেই ভিত্তি যদি নড়বড়ে হয় কার্পেটিং ভালো করে কি হবে? সচেতন মহলের দাবি উক্ত রাস্তার কাজের অনীয়ম এবং দুর্নীতির সাথে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যে সমস্ত কর্মকর্তাগণ জড়িত রয়েছে তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখে এখনই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, নতুবা দেশের সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হয়ে অর্থনৈতিক মন্দা সহ উন্নত দেশের পরিণত হওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা তা পূরণে ব্যর্থ হবে।