নিজ সংবাদ ॥ গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত র্যালিটি পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র্যালি ও আলোচনা সভায় যোগদান করেন। র্যালি শেষে পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা, ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান লিটন মেম্বর, মুন্সী শরিফুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, শাহের আলী এবং আব্দুল ওহাবের নেতৃত্বে কয়েক শত নেতাকর্মী র্যালিতে অংশ গ্রহণ করেন।পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা কর্মিরা বলেন, প্রায় দেড় দশক পরে আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় র্নিবিঘ্নে বিপ্লব ও সংহতি দিবস করতে পারছি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদেরকে কোন দলীয় অনুষ্ঠান করেত দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ দিন পর প্রকাশ্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করতে পেরে দলীয় নেতা কর্মিদের মাঝে প্রাণ ফিরে এসেছে। এদিকে, যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করতে বিএনপি এবার রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে অগতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
দিবসটি উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেযারম্যান তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর থেকে থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অঙ্গীকার নিয়ে। তাই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাৎপর্যমন্ডিত। ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। এই বিপ্লবে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী রাজনীতির উন্মেষ ঘটিয়ে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির মহাসড়কে উঠিয়েছিলেন। আর সেজন্যই জাতীয় জীবনে এই বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম।
