কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের জোড়া বটতলা এলাকায় এক অর্ধ বয়সী নারীর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে পল্লব-পলাশ-আলামিন গং। পল্লব গংদের হামলায় ওই নারীর মাথায় ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ওই নারী। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারীর স্বামী রানা সর্দার।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাটশ হরিপুর জোড়া বটতলা এলাকার মৃত রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে পল্লব, পলাশ ও আলামিন সহ অজ্ঞানামা আরো কয়েকজন প্রতিবেশী রানা সর্দার বাড়ির উপর গিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ভাংচুর চালায়। এসময় রানা সর্দারের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন (৫৫) গালিগালাজ ও ভাংচুর করতে বাঁধা দিলে পল্লব, পলাশ ও আলামিন তাকে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে পল্লব লোহার রড দিয়ে স্বজোরে মাথায় আঘাত করলে সাথে সাথে পাপিয়া খাতুন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যায়। এসময় পাপিয়া খাতুনের শৌর চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক আহতের মাথায় ১২টি সেলাই প্রদান করেন। এছাড়াও পাপিয়া খাতুনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোলা কালশিরা জখমপ্রাপ্ত হয়।
এ বিষয়ে এজাহারের বাদী রানা সর্দার বলেন, আমরা নিরীহ মানুষ। আর হামলাকারীরা এলাকার প্রভাবশালী। দীর্ঘদিন ধরে হামলাকারীরা আমাদের উপর অত্যাচার করে আসছে। হামলাকারীদের বিচার দাবি করে রানা সর্দার বলেন, আমার স্ত্রীর উপর হামলাকারীদের প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। যাতে আমাদের মতো নিরীহ মানুষ আর অত্যাচারের শিকার না হয়।
এদিকে মামলা না করতে বিভিন্ন ভাবে হামলাকারীরা হুমকি প্রদান করছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।

এদিকে একাধিক সূত্র জানায়, পল্লব ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সময় সরকার বিরোধী উস্কানিমূলক পোষ্ট করেন এবং সরকার বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকেন। এছাড়া পল্লব একাধিক মামলার আসামী।
