দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১১ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ৫৫ বছর বয়স্ক মন্টু মালিথার বিরুদ্ধে। গত শনিবার (৪ মে) উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের হাটখোলা বাজার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মন্টু মালিথা একই গ্রামের মৃত আতর মালিথার ছেলে। ঘটনার প্রেক্ষিতে শিশুটির মা মিন্নিকা আক্তার বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গতকাল সোমবার (৬ মে) শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে শিশুটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, শিশুটি হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাদিপুর বেগুনবাড়ীয়া গ্রামের কিপুল হোসেনের ছেলে। গত তিন মাস যাবৎ শিশুটি মরিচা ইউনিয়নের হাটখোলা বাজার পাড়া গ্রামে তার নানা দিরাজ দফাদার এর বাড়ী আছে। দিরাজ দফাদার ও অভিযুক্ত মন্টু মালিথার বাড়ী পাশাপাশি হওয়ায়, অভিযুক্ত মন্টু মালিথা শিশুটির সাথে কথাবার্তা বলত ও মাঝেমধ্যে তাকে সঙ্গে করে দোকান পাটে বিস্কুট কিনে দিত। গত (৪ মে) শনিবার বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটি তার নানার বাড়ীর সামনে খেলাধুলা করতে ছিল, ঠিক সে সময় অভিযুক্ত মন্টু মালিথা শিশুটিকে ফুসলিয়ে হাটখোলাপাড়া মাঠের ভিতর তার ঘাসের জমিতে নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক বলৎকার করেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটি চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে মাঠের মধ্যে থেকে বাড়ীর দিকে ছুটে আসে, এ সময় প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এবিষয়ে মরিচা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বর মনোয়ারা খাতুনের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ১১ বছরের শিশুকে ৫৫ বছর বয়স্ক মন্টু মালিথা বলাৎকার করেছে এমন কথা শুনেছি, এর আগেও মন্টু মালিথা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে লোকমুখে শুনেছি। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে সে জন্য আসামী মন্টু মালিথাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবী জানান ঐ জনপ্রতিনিধি। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ১১ বছরের শিশু বলাৎকার হয়েছে এমন অভিযোগ দিয়েছে তার মা। তবে শিশু বলাৎকারের বিষয়টি ভুয়া। শিশুটি তার মায়ের সাথে আমার কাছে এসেছিলো আমি শিশুটির সাথে কথা বলেছি, শিশুটি বলাৎকার হয়েছে এমন কিছু বলেনি শুধু তার জামাকাপড় খুলেছে বলেছে শিশুটি।
