দৌলতপুরে স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছে শিক্ষিকা! - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুরে স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছে শিক্ষিকা!

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: নভেম্বর ২০, ২০২৫

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ঘটছে এমন ঘটনা” বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতার অর্থ তুলছে সহকারী শিক্ষিকা। জানা গেছে  উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের  ১৭০নং ভাদালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আরিফা সিদ্দিকা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতার অর্থ তুলছেন কোন প্রকার বাধা বিপত্তি ছাড়াই। বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় প্রায় ৩ মাস তিনি অনুপস্থিতি থাকলেও বেতন শিটে পুরো মাসের উপস্থিতি দেখিয়ে সই করে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আসছেন বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা আরিফা সিদ্দিকা।

এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগের মধ্য রয়েছে সঠিক সময়ে স্কুলে না আসা ও ছাত্র-ছাত্রীদের  ঠিকমতো পাঠদান না করা সহ নানা ধরনের  অভিযোগ। বিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, সেখানে ছয়জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও হাজিরা খাতা অনুয়ায়ী দেখা যায় সেখানে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। এ বিষয় ১৭০নং ভাদালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, আমাকে লিখিত কোন আবেদন না দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে আসেন না, সম্ভবত তিনি  উপজেলা শিক্ষা অফিসকে ম্যানেজ করে রির্টানে সাক্ষর করে বেতন উত্তোলন করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ বিদ্যালয়ে কর্মরত এক শিক্ষক জানান, সহকারি শিক্ষিকা আরিফা সিদ্দিকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক নেতার নিকট আত্মীয় হওয়ার সুবাদে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনিয়ম করে আসছেন।

আরিফা সিদ্দিকী ঐ নেতার নিকট আত্মীয় হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকদের তোয়াক্কা না করে নিজের মন মত ডিউটি করেন। কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চাইলে ভয় দেখান সেই নেতার। তিনি আরো বলেন,এর একটি যৌক্তিক সমাধান হওয়ার দরকার বলে মনে করি আমরা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষিকা আরিফা সিদ্দিকার সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যবহারিত মুঠোফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুশতাক আহমদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ জনবল না থাকার কারণে বৃহত্তর একটি উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের অনেক কিছুরই খোঁজ খবর রাখতে পারি না। আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানলাম যদি এর সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে নেয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।