দৌলতপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলের আহবায়কসহ ১০ জনের নামে মামলা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলের আহবায়কসহ ১০ জনের নামে মামলা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৪

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ বাজারে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে যার নং ৮/৩৬৭। গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে যুবদল নেতা জাফর ইকবাল কর্নেল বাদী হয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়ক সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে দৌলতপুর থানায় এ মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, উপজেলার সংগ্রাম পুর গ্রামের  বিচ্ছাদ আলীর ছেলে  ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক  রাশেদুল হক শামীম (৪৫) সদর উপজেলার মৃত জমির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদুজ্জামান রুবেল (৩৩) ও তার ছোট ভাই হিমেল হোসেন (২৬),  এছাড়া বিএনপি নেতা কামরুল (৪০), হামিদুল (৪৭), তৌহিদুল(৪০), ওহিদুল (৩৮), শাহিন (৪০), অন্তর (১৯), জহিরুল (৪৫) ও অজ্ঞাত ১৫ -১৬। অন্যদিকে একই ঘটনায় প্রতিপক্ষের সাগর আহমেদ বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দিলেও মামলাটি রুজু হয়নি।

দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আকবর আলীর নিজ বিএনপি’র কার্যালয়ে বুধবার সকাল ১১ টার দিকে স্থানীয় ছাত্রদলের আহবায়ক মাসুদুজ্জামান রুবেল সহ ২০ থেকে ২৫ জন হামলা করে আকবর আলীর দুই ছেলে সহ কমপক্ষে ১০ জনকে আহত করেন। এজাহারে জাফর ইকবাল কর্নেল উল্লেখ করেন, দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের নিকট থেকে অভিযুক্তরা  চাঁদাবাজি করে। আমার বাবা দলিল লেখকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে নিষেধ করায় ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১ টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে  বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রকাশ্যে আমার অফিসের ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালায় এবং রক্তাক্ত যখন করে।

এরপর এলাকাবাসী ও আত্মীয়- স্বজন আমাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এবিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, জাফর ইকবাল কর্নেল বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন, সকল আসামীকে আইনের আওতায় আনা হবে। তাদেরকে আটক করতে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম তবে কাউকে পাওয়া যায়নি।  এদিকে এলাকাবাসী বলছেন সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দৌলতপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে অবৈধ পন্থায় লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়া নিচ্ছে এই চিহ্নিত চাঁদাবাজরা। আগে এসব চাঁদা তুলতো আওয়ামী লীগের কর্মীরা। এখন তোলে বিএনপির কর্মীরা। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন সেবা প্রত্যাশীরা। অচিরেই এই চিহ্নিত চাঁদাবাজদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রত্যাশা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।