দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মেহেরুন নেছা (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মহিলার পরিত্যাক্ত বাড়ির রান্নাঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২৫ মে) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের সাতভাই পাড়া গ্রামে চাচা শ্বশুরের বাড়ির রান্নাঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মেহেরুন নেছা একই এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেহেরুন নেছার চাচা শ্বশুর মশিউর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করায় তার বসতবাড়িতে স্বামীসহ বসবাস করতেন মেহেরুন নেছা। প্রায় ১০ মাস আগে স্বামী ফজলুর রহমান মারা যাওয়ার পর তিনি ওই বাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করেন। স্থানীয়রা জানান, গত ২৩ মে বিকেলের দিকে তাকে পুনরায় চাচা শ্বশুরের বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। সোমবার সকালে নিহতের দেবর আতিউর রহমানের স্ত্রী নাসিমা খাতুন বাড়িটি পরিষ্কার করতে গেলে রান্নাঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে মেহেরুন নেছাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মরদেহের পা মাটির সঙ্গে স্পর্শ করা অবস্থায় ছিল, যা দেখে অনেকেই এটিকে পরিকল্পিত হত্যা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, মেহেরুন নেছা নামে এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
