দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার চরে চলছে বালি কাটার মহোৎসব। বর্তমান চরাঞ্চলের ত্রাস একাধিক মামলার আসামি সাইদ বাহিনীর প্রধান সাইদের নেতৃীত্বেবৈরাগীরচর বাজারের নিচে পদ্মা নদীতে চলছে বালু কাটার মহোৎসব। এতে রাইটা মহিষকুন্ডি বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানাগেছে। বালু কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পদ্মায় জেগে উঠা জমির মালিকদের হুমকি দিয়ে জোর পুর্বক তোলা হচ্ছে বালু। বন্যার পানি নামার পর থেকে নিয়মনিতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মাসের পর মাস অবৈধ ভাবে বালু কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই সাইদ বাহিনী। নদীতে জেগে উঠা জমির মালিকরা বাধা দিতে গেলে তাদের উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে এ সাইদ। এলাকাবাসীর অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার মরিচা ইউনিয়নেরবৈরাগীর-চর ফারাকপুর ভাঙ্গা পাড়া গ্রামের মৃত ভাদু মন্ডলের ছেলে সাইদ ও তার দুই ভাই রিপন, মিঠু গড়ে তুলেছে এক সন্ত্রাসী বাহিনী। আর এই বাহিনী পদ্মার চরে রাতের আধারে শত শত গাড়ি বালু তলে বিক্রি করছে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায়। বৈরাগির-চর বাজারের নিচে পদ্মার চরে গড়ে তুলেছে গরু,মহিষ,ভেড়ার বাতান বাড়ি। সেখানে বসে নদীতে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চরের বালু কেটে বিক্রয় করছে। প্রতিরাতে লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই সাইদ। উপজেলার মথুরাপুর, হোসেনাবাদ, তারাগুনিয়া, আল্লাদর্গা থেকে আসা শত শত ট্রলি, স্টেয়ারিং এসে বিকেল ৪টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত বালু কেটে নিয়ে যাচ্ছে। ট্রলি, স্টেয়ারিং প্রতি ৪শ টাকা দিতে হয় এই সাইদ কে। টাকা কালেকশনের জন্য বালির ঘাটে বসিয়ে রাখা হয় তার নিযেশ্য লোক। স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে জমির মালিকদের কথা হলে তারা বলেন আমরা দুর্বল সহজ সরল মানুষ আমাদের জেগে উঠা জমি থেকে প্রতি রাতে শত শত গাড়ি বালু ও মাঠি কেঠে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা কিছু বলতে গেলে সাইদের বাহিনী আমাদের উপর অত্যাচার করে, রাতের আধারে মাঠের ফসল নস্ট করে দেয়, আমারা ভয়ে কিছু বলতে পারিনা। এলাকাবাসি আরো বলেন, সাইদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর, বাঘা, লালপুর থানায় অস্ত্র, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। গরুর বাতানের অড়ালে চলছে রমরমা মাদক ব্যাবসা। তার বাহিনী দিয়ে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করছে জেলা ও জেলার বাইরে। ভারত থেকে আনা মাদক তার নিজস্ব নোহা গাড়ি যোগে দেশের বিভিন্ন যায়গায় পৌছে দিচ্ছে তার বাহিনী। অচিরে এই বালুখেকো মাদক সম্রাট সাইদকে আইনের আওতায় না আনলে দেশ ও দশের ক্ষতি হবে বলছেন এলাকাবাসি। সাইদ বাহিনীর প্রধান সাইদের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করলে সে ফোন রিসিভ করেননি। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওবায়দুল্লাহর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমাদের অভিযান চলমান, খুব শিঘ্রই বালু উত্তলনকারীর বিরুদ্ধে আইনয়ানুগ ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেয়া হবে।
