দৌলতপুরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে একজন মারাত্মক জখমসহ আহত ২ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে একজন মারাত্মক জখমসহ আহত ২ 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ২৮, ২০২৪

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের মাদিয়া গ্রামে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ১জন মারাত্মকভাবে জখম সহ ২ জন আহত হয়েছে। জানা গেছে  হামলায় মাদিয়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা বাবুল আখতার এর ছোট মেয়ে তামান্না খাতুন ও নাতী মরিয়ম খাতুন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হাওয়া সহ আহত হয়। এবং বড় মেয়ে তানিয়া খাতুন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে জখম প্রাপ্ত হয়ে আহত হয়। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়া ভুক্তভোগী তানিয়া খাতুন জানান, আমার মা মারা যাওয়ার পরে ওয়ারিশ সূত্রে, আমার মায়ের সম্পত্তির মালিকানা বোনেরা বুঝে পাই, এবং সেই সম্পত্তি জোর করে ভোগ দখল সহ জমিতে থাকা গাছপালা জোর করে কেটে নিয়ে বিক্রি করে দেয়ার পায়তারা করতে থাকে আমার চাচা কারি সরকার সহ তার ছেলে জোগনুর জামান সুইট সরকার।  তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার (২৭মার্চ) সকাল সাড়ে ৮ টার সময় আমার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া সন্ত্রাসী কায়দায়  তারা আমাদের গাছ কাটিয়া নিতে থাকে । এমন অবস্থায় আমি নিষেধ করিতে গেলে কারি সরকারের হুকুমে জোগনুর জামান সুইট সরকারের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র  হাসুয়া দিয়ে আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার উপরে কোপ মারিতে গেলে আমি বাম হাত দিয়ে প্রতিরোধ করলে আমার হাতে কোপ লাগিয়া মারাক্ত ভাবে জখম হয়ে আহত হই, এবং আমার ছোট বোন ও মেয়েকে এই হামলায় অতপ্রতভাবে অংশগ্রহণকারী সুইট সরকারের স্ত্রী জেসমিন আক্তার, অজিফা সরকার সহ গুলজার হোসেন লোহার রোড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে আমাদের ডাক চিৎকারে আমার বাবা-মা সহ ফুফাতো ভাইয়েরা এগিয়ে আসলে তারা আমাদের আহত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে আমার ফুফাতো ভাইয়ের সহযোগিতায় দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমরা ভর্তি হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি এবং আমার হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হওয়ায় ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়। এ বিষয়ে পিয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বুলবুলের সাথে কথা হলে তিনি জানান,ওদের সম্পত্তি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ঝামেলা চলছে এমন অবস্থায়  আইনি সহায়তা নিতে ভুক্তভোগীদের পরামর্শ প্রদান করেন তিনি। এমন অবস্থায় ভুক্তভোগী তানিয়া খাতুন নিজে বাদী হয়ে, দৌলতপুর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি এজাহার জমা দেন। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।