দৌলতপুরে এক ইউনিয়নে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুরে এক ইউনিয়নে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ৫, ২০২৪

নাজমুল ইসলাম ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অতিবৃষ্টির কারনে পানি নিস্কাশন ব্যাবস্থা না থাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্যাংগাড়ী মাঠে মরিচ, মাসকলাই, টমেটো সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন ওই অঞ্চলের কৃষকগণ। জানা গেছে কয়েক বছর আগে পানি নিষ্কাশনের জন্য ক্যানেল তৈরি করা হলেও সেটি এখন ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ওই মাঠের সমস্ত ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।

ওই অঞ্চলের কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা হলে তারা বলেন, পানি নিস্কাশন ব্যাবস্থা থাকলে ফসলের তেমন ক্ষতি হতোনা। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে বরাদ্দ পেলে পুনরায় ক্যানেল খনন করে দেয়া হবে। তথ্য মতে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আওতাধীন ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই ধাপে ৪০ দিনের প্রকল্পে পানি নিস্কাশনের জন্য ক্যানেল তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সেটি ভরাট হয়ে যায়। তবে নতুন করে বরাদ্দ পেলে ক্যানেলটি পুনঃখনন করে দেয়ার আশ্বাস দেন কর্তৃপক্ষ।

আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্যাংগাড়ীর কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে সারা বছরই প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়, যা ওই অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়েও দৌলতপুরের বিভিন্ন পাইকারি কাঁচা আড়তে বিক্রয় করে থাকেন ওই অঞ্চলের কৃষক। এবছর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতার কারনে মাঠের মরিচ, মাসকলাই, টমেটো তুলা সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল পানিতে তলিয়ে আছে। যার ফলে এ বছর ব্যাপক লোকসান গুনতে হবে ওই অঞ্চলের কৃষকদের। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নূরুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,

পানি বন্দি হওয়ার কারনে ব্যাংগাড়ী মাঠে কৃষকের কয়েক হাজার জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। পানি নিস্কাশন করার ব্যবস্থা থাকলে কৃষকরা তাদের মুল্যবান ফসল রক্ষা করতে পারতো। ক্যানেলটি পুনঃখনন করার বিষয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রানালয় থেকে সামনে কোন বরাদ্দ আসলে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্নয় করে ক্যানেলটি সংস্কার করে দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি। এ বছরের মত আগামীতেও যেন এমন ভাবে লোকসান না গুনতে হয় সে জন্য ক্যানেলটি পুনরায় খনন করার জোর দাবি জানান ভুক্তভোগি কৃষকরা।