দৌলতপুর প্রতিনিধি \ কুষ্টিয়া মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নতিকরন প্রকল্পে দৌলতপুর খুলিসাকুন্ডিতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নোটিশ জারি করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুষ্টিয়া। মহাসড়কের পাশে শত শত ভ‚মিহীন পরিবারেদের সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে ঘরবাড়ি। ভুমিহীনদের র্দীঘদিনের বসবাসকৃত মাথাগোজার ঠাই বসতবাড়ি অন্য যায়গায় যাওয়ার মত কোনো পথ পাচ্ছে না ৩ শতিধিক পরিবার। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে পরিবার গুলো কোথায় যাবে কি করবে পরিবার পরিজন নিয়ে। এ রকম প্রশ্ন ওইসব ভ‚মিহীন পরিবারের সকল সদস্যদের। তাদের দাবি ছোট ছোট ছেলেমেয়েসহ পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করা একটু মাথা গোজার ঠাই চায় তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। অন্যদিকে অর্ধশত বছরের পুরানো বাজারটিও উচ্ছেদ করতে চাচ্ছে সড়ক বিভাগ, এই বাজারে ২ শতাধিক কাঁচা পাকা দোকান রয়েছে, বাজারে প্রতিদিন কোটি টাকা বেচা কেনা হয়, এই বাজারের কাঁচা মাল চলে যায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। বাজারটি উচ্ছেদ হয়ে গেলে ২ শতাধিক ব্যবসায়ীদের পরিবার পরিজন নিয়ে অভাব অনটন শুরু হবে, এতে এলাকায় সন্ত্রাস চাঁদা বাজিসহ নানা রকম অবৈধ কাজে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাই প্রয়োজনের চেয়ে অধিক উচ্ছেদ না করার দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। উপজেলার খুলিসাকুন্ডি বাজারে কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে গতকাল শনিবার (২ মার্চ) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ভুক্তভোগিরা। কুষ্টিয়ার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল করিম বলেন, মহা সড়ক বর্ধিত করতে সরকারি জমি থেকে দখলকারীদের উঠে যেতে বলা হয়েছে। এটি সরকারের চলমান প্রক্রিয়া। তবে ভুমিহীনদের বিষয়টি সরকারি বিধি বিধান মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুলমত হোসেন বলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ সড়কের যতটুকু অংশ উচ্ছেদ করেছে এর বেশি উচ্ছেদ করার প্রয়োজন পড়ে না। ভুমিহীন ও ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষের নমনীয়তা প্রয়োজন তা না হলে আমার ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হবে এবং বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। উলেখ্য, ইতি পূর্বে এই বাজারে ২ বার উচ্ছেদ অভিযান হয়েছে। আবারও সড়ক ও জনপদ নোটিশ জারি করেছে আগামী ৪ মার্চ এর মধ্যে যায়গা ফাঁকা করার। এতে করে একদিকে বাড়ছে ভুমিহীনের সংখ্যা অন্যদিকে অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যবসায়ীরা ।
