দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে কারো অধীনে থাকার জন্য নয়: ডিসি তৌফিকুর রহমান - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে কারো অধীনে থাকার জন্য নয়: ডিসি তৌফিকুর রহমান

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ১২, ২০২৪

আগামীর বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক দেশ: এসপি মিজানুর রহমান

 

রঞ্জুউর রহমান ॥ কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস ২০২৪ উপলক্ষ্যে উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল নয়টায় জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর এর নেতৃত্বে কুষ্টিয়া কালেক্টর চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস এর কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন কুষ্টিয়া ডাঃ মো. আকুল উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোছাঃ শারমিন আখতার, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কুষ্টিয়া জেলা ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. রফিকুল আলম টুকু,

সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা, ব্যবসা, বানিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা এবং প্রবাসী কল্যাণ শাখা) আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (রেকর্ডরুম শাখা, শিক্ষা শাখা, ই-সেবা কেন্দ্র এবং জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন শাখা) মুমতাহিনা পৃথুলা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা, ট্রেজারি ও স্ট্যাম্প শাখা এবং আইসিটি শাখা) মো. তাফসীরুল হক মুন, জেলা ও উপজেলা থেকে আগত বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা আমাদের সব থেকে বড় অর্জন। এই স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনারা যারা অংশগ্রহণ করেছেন সেটা জাতির জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়। স্বাধীনতার পূর্বে আমাদের দেশের মানুষ অনেক বৈষম্য শিকার হয়েছে। কিন্তু আগামীর বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক দেশ।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, দেশের গণতন্ত্রের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছে তাদের আমরা গভীরভাবে স্মরণ করি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। দেশে যেসব যুদ্ধ হয়েছে সেগুলোর উদ্দেশ্য ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার। যেখানে কোন বৈষম্য থাকবে না। এক সময় আমরা স্বাধীন ভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারতাম না। গণতন্ত্র হলে সবাই কথা বলতে পারবে এবং যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত নিয়ে দেশ চলবে। আমরা বাঙালি বীরের জাতি যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, এখন কেউ যদি আমাদের সহযোগিতা করে থাকে তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। তার মানে এই না, তিনি আমাদের মাথা কিনে নিয়েছেন। একটি দেশের সাথে অন্য একটি দেশের সম্পর্ক আত্মীয়তার বাইরে সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে। আমি কি পাচ্ছি সে কি পাচ্ছে এসব অধিকারের ভিত্তিতে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হয়। দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে কারো অধীনে থাকার জন্য নয়।  সেই চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন ও ন্যায্য সমাজ গঠন করার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।