কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৩
কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসাবে যুবলীগ কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫ টায় কুষ্টিয়া পৌরসভার বিজয় উল্লাস চত্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যহত রাখতে ও ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে উন্নীতকরণের লক্ষে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু তৈয়ব বাদশা’র পরিচালনায় এবং জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ। সম্মানীত অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু সুব্রত পাল।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডঃ আঃ কাঃ মঃ সরোয়ার জাহান বাদশা, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডঃ ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা এবং মিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিনসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মি ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন বলেন, বক্তব্যের কিছু নেই, আপনারা স্লোগান দেন” বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার”। আর আমার কথা হচ্ছে বার বার দরকার না, জীবণ যতক্ষণ থাকবে, বাংলাদেশ যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ দরকার শেখ হাসিনার সরকার। এই শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে, এই শেখ হাসিনার সরকারকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে, আমি আজকে আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, মিরপুরের মাটিতে যারা আজকে ষড়যন্ত্র করছে, এই মিরপুরের মাটি যুবলীগের ঘাঁটি, এই মিরপুরের মাটি জননেতা মাহবুবউল আলম হানিফ সাহেবের ঘাঁটি। এই মিরপুরে যারা বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত হয়ে আছি, আমরা মুখিয়ে আছি।

কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আয়োজনে তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ ও র‌্যালি

কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা বলেন- বিএনপি’র জোট বিগত দিনে যেই হত্যা এবং রাহাজানির রাজনীতি করেছে, আমরা দেখতে পাচ্ছি আবার তারা এই রাজ পথে নেমে এই গণতান্ত্রিক সরকারকে, উন্নয়নের সরকারকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য সামনে জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আজকে আবার তারা মাঠে নেমেছে।

আজকের এই সমাবেশে থেকে যে কোন পরিস্থিতি, যে কোন নির্দেশনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দিলে আপনারা দশ মিনিটের ভিতরে সেই পদক্ষেপ নিবেন। আগামী ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের ২৪ তারিখ অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে যেই নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে আবার জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার এবং আমাদের এই চারটি আসনকে আবার পুনরায় নির্বাচিত করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কুষ্টিয়া জেলা শাখার প্রত্যেকটি নেতা কর্মি আওয়ামীলীগের ভ্যানগার্ড হিসাবে কাজ করবে ।

বক্তব্য প্রদানকালে বাংলাদেশ আওয়ামী যবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডঃ ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ বলেন- স্বাধীনতা পরবর্তি সোনার বাংলা বিনির্মানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশে শেখ মনির হাতে গড়া সংগঠন। যেই মাটিতে হানিফ ভাইয়ের জন্ম সেই মাটিতে যুবলীগ শক্তিশালী হবে, নান্দনিক হবে এটাই স্বাভাবিক। বেগম খালেদা জিয়ার অশিক্ষিত সন্তান তারেক রহমান লন্ডনে বসে দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, বন্দুকের নলের মধ্যদিয়ে বিএনপি’র জন্ম। ওরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই গণতন্ত্রের বিপক্ষে ষড়যন্ত্র করে। নির্বাচন বর্জনের নাটক করে। তারেক রহমান তিনশত আসানের বিপরীতে ৯’শ মানুষের কাছ থেকে নমিনেশন বিক্রি করে সেই টাকায় লন্ডনে বসে আয়েশী জীবন যাপন করে। ওদেরকে প্রতিহত করতে হবে। সেই সাথে শেখ হাসিনার সমস্ত উন্নয়নকে জনগণের মাঝে তুলে ধরতে হবে। এদেশে যত বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলো জননেত্রী শেখ হাসিনা করেছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু সুব্রত পাল বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আমরা মনে করি তারুণ্যের জয়যাত্রা ব্যতিক্রমী একটি কর্মসূচী। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বাংলাদেশ আজকে বিশ্বের দরবারে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৪ বছর বাংলাদেশে দূর্বার গতিতে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংবিধানিক ধারা অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সংবিধানিক ধারাকে বিএনপি প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। আজকে তাদের বিরুদ্ধে রাজপথে থেকে তাদের প্রতিহত করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের তারুণ্যের জয়যাত্রা কর্মসূচী।

আগামীতে যারা রাজপথে সহিংসতা করার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতা কর্মিরা তাদের কঠোর হস্তে প্রতিহত করবে। বিএনপি দেশেকে পশ্চিম পকিস্থানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়। তারা আবার বাংলাদেশেকে জঙ্গিবাদের রাষ্ট্রে কায়েম করতে চায়। এই বাংলাদেশকে তারা আবার আফগানস্থান বানাতে চায়। ধর্মের নামে তারা আবার বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের আস্তানায় পরিণত করতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ রাজপথে থেকে তাদেরকে মোকাবেলা করবে। প্রত্যেকটি লড়াই সংগ্রামে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ রাজ পথে রক্ত দিয়েছে, ষড়যন্ত্রকারীদেরকে রাজপথে থেকে প্রতিহত করেছে। আগামী নির্বাচনে কুষ্টিয়ার প্রতিটি জায়গায়, প্রতিটি উপজেলায়, প্রতিটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মিরা নির্বাচনে ষড়যন্ত্রকারীদেরকে রাজপথে থেকে মোকাবেলা করবে।

সন্মানিত অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং খোকসা-কুমারখালীর সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ বলেন, জামাত-বিএনপি জোট সমস্ত বাংলাদেশে যে নৈরাজ্য এবং নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে দেশ ব্যাপী যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে তারই জবাবে সমস্ত বাংলাদেশে যুবলীগ মাঠে থাকবে। সেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেই আমরা মাঠে রয়েছি। এই কুষ্টিয়া আমরা জননেতা মাহবুবউল আলম হানিফকে বলে দিতে চাই, কুষ্টিয়ার বিলজানী থেকে দৌলতপুর কুষ্টিয়ার সমস্ত নেতা কর্মিরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রস্তুত আছে। যখনই নির্দেশ আসবে তখনই সমস্ত সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ এবং বিশৃঙ্খলার বিষদাঁত উপড়ে ফেলে এই দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন, উন্নত আধুনিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ নিয়ে যুবলীগ অঙ্গিকারবদ্ধভাবে প্রত্যয় নিয়ে কাজ করবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া সদর আসানের এমপি এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির চরম একটি সন্ধিক্ষণে আমরা আছি। আপনারা জানেন যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে। এই নির্বাচনের মধ্যদিয়ে আবার এদেশের মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এদেশ কি উন্নয়নের ধারায় থাকবে, এদেশে উন্নয়ন অগ্রগতি অব্যহত থাকবে, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত থাকবে, দেশে আইনের শাসন থাকবে কি থাকবে না সেইটা নির্ধারণ হবে।

ঐ বিএনপি এবং জামাত তাদের আন্দোলন হচ্ছে নির্বাচনকে বানচাল করা। তারা জানে নির্বাচন হলে এদেশের জনগণের ম্যানডেট তারা পাবে না। কারণ রাষ্ট্র ক্ষমতায় তারা যখন ছিলো ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল, এদেশের জন্য কি করেছে দেশবাসী দেখেছে। আজকে কথায় কথায় মির্জা ফখরুল গণতন্ত্রের কথা বলে, আইনের শাসনের কথা বলে, মানবাধিকারের কথা বলে। আমরা এখান থেকে জিজ্ঞেস করতে চাই, মির্জা ফখরুল সাহেব ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে আপনারা ক্ষমতায় ছিলেন, কি করেছিলেন দেখুন। এই দেশের ২৬ হাজার আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিকে হত্যা করা হয়েছিলো আপনাদের সন্ত্রসীদের দ্বারা, কোথায় ছিলো তখন গণতন্ত্র, কোথায় ছিলো মনবতা, কোথায় ছিলো আইনের শাসন। দেশবাসী ভূলে নাই। আমাদের সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া সাহেবকে সিলেটের হবিগঞ্জের জনসভার তাকে প্রকাশ্যে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করা হলো। টঙ্গির জনপ্রিয় এমপি শ্রমিক নেতা আজাহার, তাকে দিনে দুপুরে শুক্রবারে গুলি করে হত্যা করেছিলো বিএনপি’র সন্ত্রাসীরা। নাটোরের এমপি’কে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছিলো বিএনপি’র সন্ত্রাসীরা।

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিলো। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের দোয়া’য়, এদেশের ১৬ কোটি মানুষের ভালোবাসায় শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। ২৪টি তাজা প্রাণ সেদিন ঝরে গিয়েছিলো। কোথায় ছিলো তখন আপনাদের আইনের শাসন, কোথায় ছিলো মানবতা। আপনি কথায় কথায় মানবাধিকার আর আইনের শাসনের কথা বলেন। আপনার নেত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে আছে, কেন কারাগারে আছে ? তার বিরুদ্ধে তো আমরা মামলা দেই নাই। মামলা দিয়েছিলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আপনাদের প্রিয় সরকার।

খালেদা জিয়া এতিমের টাকার লোভ সামলাইতে পারে নাই। যার চুরি করার অভ্যাস হয়, চুরি করতে করতে তখন আর হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র এতিমের টাকার লোভ সামলাইতে পারে নাই, সেই মামলায় সে কারাগারে। তারেক কে এখনো অনেকে বলে চোরা তারেক। হাওয়া ভবন বানিয়ে এদেশের সম্পদ লুট করে খেয়েছিলো। সেই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর আদালতে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তারেক রহমানের সাত বছরের জেল ও জরিমানা হয়েছিলো।

তারেক রহমান আসলে একটা সন্ত্রাসী নেতা। বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখলে তাদের জ্বালা হয়। মির্জা ফখরুলের বাপ ছিলেন রাজাকার। তাই তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি পছন্দ করে না। এই রাজাকারেরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমকে পছন্দ করে না। এজন্য তাদের জ্বালা হয়, মনে জ্বালা হয়। বিএনপি-জামায়াত কি বলে সেটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই। জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছে, শেখ হাসিনা’র যতদিন শারীরিক সক্ষমতা থাকবে ততদিন জনগনের ম্যানডেট নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকবে ইনশা আল্লাহ ।