কুষ্টিয়ায় ইচ্ছেমতো তরমুজের দাম হাঁকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা
রোজার সময় ফলের কদর বাড়ে। ফল ছাড়া ইফতার কল্পনাই করা যায় না। এদিকে গ্রীষ্মকাল শুরু হলেও পরিপক্ব না হওয়ায় বাজারে এখনও আসেনি চাহিদা অনুযায়ী মৌসুমী ফল। ফলে বাজারে থাকা গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজের ওপর ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকায় সুযোগটিকে কাজে লাগাচ্ছেন কুষ্টিয়ার ব্যবসায়ীরা। তারা তরমুজের দাম হাঁকাচ্ছেন ইচ্ছেমতো।

কুষ্টিয়ায় ইচ্ছেমতো তরমুজের দাম হাঁকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা
গত সপ্তাহে যে তরমুজের কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা ছিল এখন তা বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে নানা অজুহাত দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
তারা বলছেন, এখন আর মাঠে তরমুজ নাই। তাই বাজারে তরমুজের দাম বেড়ে গেছে। এদিকে বাজার তদারকি কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকার কারণেই ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বৃদ্ধি করছেন বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তারা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকায়। আকার একটু বড় হলেই তা ৪শ’ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এক খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিবেদককে জানান, আমরা ৫ দিন আগে যে তরমুজ প্রতি মন ৮০০-১০০০ টাকা ক্রয় করেছি এখন তা প্রতি মন ১৬০০-১৭০০ টাকা ক্রয় করতে হচ্ছে। বেশি দামে কেনায় আমরা বেশি দামে বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছি।

এ বিষয়ে পাইকারী ব্যবসায়ীরা বলছে, আমরা বরিশাল, পটুয়াখালী থেকে তরমুজ ক্রয় করতাম সেখানে তরমুজ শেষ হওয়ার কারণে এখন খুলনা থেকে বেশি দামে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। আগে প্রতি মন তরমুজ ১০০০-১২০০ টাকা যা এখন ১৪০০-১৬০০ টাকা কিনতে হচ্ছে। এ কারণেই তরমুজের দাম বেশি।
