আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কুষ্টিয়া জেলার বৃহৎ প্রকল্প।

ফকির লালন সাঁইজির মাজার -কুষ্টিয়া জেলা
এ জেলায় ২ টি বৃহৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলোঃ
গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প (সেচ প্রকল্প) (১৯৫৪)
ভেড়ামারা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ২ টি (ভেড়ামারাতে অবস্থিত) (১৯৭৬)
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প বা জি-কে প্রকল্প বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ একটি সেচ প্রকল্প, যার আওয়ায় বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ৪ট জেলা রয়েছে, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা এবং ঝিনাইদহ জেলা। এই চার জেলার ১৩টি উপজেলা যথা কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, ভেড়ামারা, চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুন্ড, শৈলকূপা, মাগুরা সদর, শ্রীপুর এবং দৌলতপুরে এই সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম বিস্তৃত।
১৯৫১ সালে পরিচালিত প্রাথমিক জরিপের পর ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান সরকার প্রস্তাবিত জি-কে প্রকল্প অনুমোদন করে। ১৯৫৪-৫৫ অর্থ বছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। ১৯৬২-৬৩ মৌসুমে প্রকল্পভুক্ত এলাকায় স্থানীয় কিছু উন্নত জাতের ধান চাষ করা হয়। ১৯৮৪ সালে পানি সরবরাহের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক সংস্কার কাজ গৃহীত হয় এবং ১৯৯৩ সালে তা সমাপ্ত হয়।

রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ী – কুষ্টিয়া জেলা
আরও পড়ুনঃ
