বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত কুষ্টিয়া জেলা শুধু শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যেই নয়, নিজস্ব খাদ্যসংস্কৃতি ও বিখ্যাত খাবারের জন্যও সুপরিচিত। এখানে পাওয়া যায় এমন কিছু খাবার যা স্থানীয় ঐতিহ্যের অংশ হয়ে উঠেছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকেও আকর্ষণ করে।
আজকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো কুষ্টিয়ার সেইসব বিখ্যাত ও মুখরোচক খাবার যা ভোজনরসিকদের মন জয় করে নিয়েছে।

ফকির লালন সাঁইজির মাজার -কুষ্টিয়া জেলা
কুষ্টিয়ার কুলফি মালাই বৃহত্তর কুষ্টিয়া অঞ্চলের একটি অদ্বিতীয় খাবার, যা শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার কাছেই সমান জনপ্রিয়।
👉 কুষ্টিয়ায় আগত পর্যটকদের জন্য এই খাবার “ট্রাই করতে হবে” তালিকার শীর্ষে থাকে।
ছেউড়িয়া, লালন শাহ মাজার সংলগ্ন এই এলাকাটি তার বিশেষ ধরনের ছানার সন্দেশ এর জন্য বিখ্যাত।
কুষ্টিয়ার ঈদ বা যেকোনো উৎসব মানেই মাংস–খিচুড়ি। পারিবারিক ও সামাজিক দাওয়াতে এটি অপরিহার্য।
শীতকালের সকাল মানেই খেজুর রস আর গুড়। কুমারখালী অঞ্চলের পাটালি ও নলেন গুড় সারাদেশে নামডাক করা।
কুষ্টিয়ার গ্রামীণ হাটে পাওয়া যায় বিশেষভাবে তৈরি কালোজিরা মিশ্রিত রুটি ও ঘরে তৈরি পাঁপড়।
ভেড়ামারার লোকজ খাদ্য তালিকায় রয়েছে ভাজি–পিঁয়াজি ও আলু ভর্তার বিশেষ জনপ্রিয়তা।
কুষ্টিয়ার মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায় খাঁটি ঘন দুধের দই, রসগোল্লা ও চমচম—যা বহু পুরাতন রেসিপি অনুসরণে তৈরি হয়।
কুষ্টিয়া জেলার খাবার শুধু স্বাদের নয়, বরং ঐতিহ্যের বাহক। এখানে প্রতিটি খাবারের পেছনে রয়েছে একেকটি গল্প, একেকটি মানুষ, আর রয়েছে শত বছরের সংস্কৃতির ছোঁয়া। কুলফি মালাই থেকে শুরু করে ছানার মিষ্টি, গুড়, খিচুড়ি, বা পিঠা—সবকিছুই কুষ্টিয়ার স্বাদভরা অভিজ্ঞান।
তিলের খাজা কুষ্টিয়া জেলার এক অত্যন্ত জনপ্রিয় মিষ্টান্ন—যা দেশজুড়ে সুপরিচিত। এর নাম শুনেছেন না এমন বাংলাদেশি বিরল। স্থানীয় সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অংশ হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ—কারণ শতাধিক পরিবার এই ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছ।
📣 আপনি যদি কুষ্টিয়ার কোনো বিখ্যাত খাবার খেয়ে থাকেন, আপনার অভিজ্ঞতা মন্তব্যে লিখুন!
📌 প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন, যাতে কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী স্বাদ আরও দূর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
