ভিডিও এডিট করে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে যুবক আটক
কুষ্টিয়া মডেল থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে চাঁদাবাজি ও ইউটিউব থেকে ডাউনলোড করে অস্ত্রের ভিডিও প্রদর্শন করে ভয় ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এবং নগদ একাউন্টের মাধ্যমে লেনদেনের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

ভিডিও এডিট করে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে যুবক আটক
আটককৃত ব্যাক্তির নামে ফেরদৌস আলম নামে এক ব্যবসায়ী এজাহার দায়ের করে মডেল থানায়।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার খায়রুল আলম উল্লেখ করেন, গত ২৪ মার্চ দুপুরে বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে (কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন জুগিয়া পালপাড়াস্থ মেসার্স শাহিন এন্টারপ্রাইজ নামক বাদীর প্ল্যাস্টিক পন্য ও বড় জারে করে বিশুদ্ধ পানি বিক্রির প্রতিষ্ঠান) বাদী ও তার ভাই মাহারুজ আহমেদ মহব্বত (২৬) অবস্থানকালে অজ্ঞাতনামা আসামী বাদীর ভাই এর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭৪৬-৯২৪২৯২ এর হোয়াটসঅ্যাপে অজ্ঞাতনামা আসামীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৯৬৮-১৮০৪৬৭ হতে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তার নিকট ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে।
অজ্ঞাতনামা আসামীর দাবীকৃত চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে বাদীর ভাইয়ের মোবাইল নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপে একটি প্রদর্শিত অস্ত্রের ভিডিও এবং বিভিন্ন সময়ে ম্যাসেজ পাঠিয়ে বাদীকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করে।
অজ্ঞাতনামা আসামী যেকোন সময় বাদী, বাদীর প্রতিষ্ঠানের বা তার পরিবারের সদস্যের প্রাণহানি সহ যেকোন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করিতে পারে। প্রান নাশের ভয়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ী হতে বের হতে পারছে না। এমনকি চাঁদা না দিলে বাদীর সন্তানেরা (শেখ মারিয়াম আলম(০৭) ২য় শ্রেনীর ছাত্রী, শেখ মোহাম্মদ আলম(০৫) নার্সারির ছাত্র, উভয়ই হাসিব ড্রীম স্কুলে লেখাপড়া করে) স্কুলে যাওয়া আসার পথে তাকে গুম করার হুমকি দিলে সন্তানেরা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

উল্লেখিত ঘটনাটি বাদী কুষ্টিয়া মডেল থানায় হাজির হয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এঘটনায়, এজাহার প্রাপ্তির সাথে সাথে কুষ্টিয়া মডেল থানার মামলা নং- ৫৯, ধারা-৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭ পেনাল কোড তৎসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫/৩০। আটককৃত আসামী আল শাহরিয়ার অন্তর (২০), পিতা হারুন অর রশিদ, মির্জানগর, মিরপুর – কুষ্টিয়া।
