গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে : সাইদুল ইসলাম - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে : সাইদুল ইসলাম

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ২, ২০২৩
গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে : সাইদুল ইসলাম

কোন ধর্মে কিন্তু হিংসা, হানাহানি, মারামারি, কাটাকাটি সম্প্রীতি বিনষ্ট করার কথা বলা হয়নি, তবে সকল ধর্মের শান্তির কথা বলা হয়েছে। আমরা যে ধর্মেরই হই না কেন আমরা শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখবো,আমাদের যে সামাজিক ও পারিবারিক সম্প্রীতি রয়েছে তা নষ্ট করবোনা, কোন গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক দিনব্যাপী কর্মশালাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম এ কথা বলেন।

গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে : সাইদুল ইসলাম

গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে : সাইদুল ইসলাম

গুজবে কান না দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে : সাইদুল ইসলাম

এসময় তিনি আরো বলেন আপনারা লক্ষ্য করে দেখতে পারবেন যে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে মসজিদের ইমাম সাহেবের সঙ্গে পরামর্শ করেন, এছাড়া যেকোনো ধর্মের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তাদের ধর্মীয় প্রধানের সঙ্গে পরামর্শ করে থাকেন তাই আপনাদের একটা কথাই বলবো আপনারাই পারেন মানুষের কাছে ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দিতে।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে সুতরাং সকল ধর্মের মানুষ একত্রে মিলেমিশে সম্প্রীতির সাথে বসবাস করতে হবে আমাদের। বঙ্গবন্ধু বলেছেন যার যার ধর্ম তার তার কাছে, কোন ধর্মকে ছোট করে দেখা যাবে না। আজকে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ তারা তাদের নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারছে কোন ধর্ম পালন করতে বাঁধা নেই। তাই একটি কথা বলবো বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুযোগ্য নেতৃত্বে সকল ধর্মের মানুষ সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও সম্প্রীতির মাধ্যমে সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন আমাদের দেশে একটা মুসলিম প্রধান দেশ এখানে ইসলামিক মাইন্ডের লোকের সংখ্যাই বেশি, বাংলাদেশে ৯১% এর বেশি মানুষ মুসলিম আর, বাকিগুলো অন্যান্য ধর্মের লোক বসবাস করে, তবে শুধু মেজোরিটি পারসেন্ট মানুষ দিয়েই দেশে শান্তি আসবে না, শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের সবার একসাথে কাজ করতে হবে,আমিই সেরা আমরাই সব যদি এই চিন্তা করা হয় তাহলে সেখনে অশান্তি হবে,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি থাকবে না মারামারি হানাহানি হবে, তাই এটা যেন না হয় তাই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন বাংলাদেশ হবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ,তাই সকল ধর্মের মানুষকে নিয়েই কাজ করতে হবে, আজকে আমরা সকলের মাঝে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দিব।

এসময় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা বলেন এক শ্রেণীর মানুষ সবসময় ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে অশান্তি করার চেষ্টা করে, আপনারা এখানে মসজিদের ইমাম, হিন্দু ধর্মে পুরোহিত ও খ্রিস্টান ধর্মের ফাদার সহ যারা উপস্থিত আছেন তাদের একটা কথাই বলবো আপনারাই পারেন সকল মানুষের কাছে সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দিতে। তাই আপনারা কোথাও এমন কোন ধর্মীয় আলোচনা করবেন না সেটা যেন স্বাধীনতার বিপক্ষে ও সরকারের বিপক্ষে চলে যায়।

ইসলামিল ফাউন্ডেশন উপ পরিচালক হেলালউজ্জামানের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান মাছুম, কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রফিকুল ইসলাম টুকু, সহ বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, পুরোহিত, সামাজিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

আরও পড়ুন: