খোকসার দর্জি বাড়ি গুলোতে বেড়েছে ঈদের ব্যস্ততা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

খোকসার দর্জি বাড়ি গুলোতে বেড়েছে ঈদের ব্যস্ততা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: এপ্রিল ১, ২০২৪

খোকসা প্রতিনিধি ॥ ঘুরছে সেলাই মেশিনের চাকা। সেইসাথে বছরের এই সময়টাতে ভাগ্যের চাকার গতি বাড়াতেই দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার সেলাই কারিগররা।  ঈদকে সামনে রেখে ফ্যাশন-সচেতন আর রুচিশীল ব্যক্তিরা ছুটছেন দর্জি বাড়িতে। আগেভাগেই নিজেদেরে পছন্দসই জামা-কাপড় বানিয়ে রাখছেন তারা। এজন্য দর্জি পাড়ায় বেড়েছে ঈদ কেন্দ্রিক ব্যস্ততা। চাঁদ রাতের আগেই ক্রেতারাদের হাতে পোশাক তুলে দিতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগররা। বিভিন্ন উৎসবে-পার্বনে দর্জির কাছে ইচ্ছে মতো পোশাক বানানোর রীতি-রেওয়াজ বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ। তাই দর্জির দোকানে ভিড় করছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষই। একদিকে সেলাই মেশিনের খটখট আওয়াজ। পাশেই চলছে মাপ অনুযায়ী কাপড় কাটা। ফরমায়েশ নেয়া হচ্ছে নতুন পোশাকের। রমজানের মাঝে এসে মহাব্যস্ত হয়ে উঠেছে দর্জিবাড়িগুলো। বিরতিহীন সেলাই মেশিনের যান্ত্রিক শব্দ বলছে, দম ফেলার ফুরসত নেই কারিগরদের। আর এ ব্যস্ততা চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত। মেয়েরা ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের বিভিন্ন চরিত্রের পোশাকের আদল ও ডিজাইনে পোশাক বানাতে চায়। আর শার্ট-প্যান্টের চেয়ে ছেলেদের বেশি আগ্রহ পাঞ্জাবিতে। মুলত দ্রব্য মুল্যের উর্ধগতির আচ লেগেছে দর্জিবাড়িতেও। যেখানে উত্তাপ ছড়াচ্ছে মুজুরি। ছেলেদের পাঞ্জাবিতে নকশার ভেদে মজুরি ৬০০ থেকে ৮০০টাকা। শার্ট-প্যান্টের মুজুরি ৫২০ থেকে ৬৬০টাকা। মেয়েদের সেলোয়ার-কামিজ বানাতে খরচ পরছে ৩৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। ঈদ সামনে রেখে যথাসময়ে ক্রেতাদের হাতে পোশাক তুলে দিতে পারবেন এমনটাই প্রত্যাশা দর্জিদের।