খোকসায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

খোকসায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ৩০, ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এনিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা  অধিদফতরসহ দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনুপস্থিতির প্রমাণও পেয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। জানা যায়, ২০১৭ সালে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মতিয়ার রহমান। এরপর থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের টাকা নিয়ে নয়ছয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, টিউশন ফিস, সেশন ফিস ও ভর্তি ফিস, নিবন্ধন, প্রশংসা পত্র এসাইনমেন্ট স্কুলের জমি ও পুকুর ইজারা এবং ব্যাংকে জমাকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান। শিক্ষকবৃন্দ আরও বলেন, পুকুর লিজসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার প্রধান শিক্ষক করেন না। প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলেও আসেন না বলে জানান তারা। শিক্ষার্থীরা জানান, পরীার ফিসসহ নানা খাতে প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে টাকা নিলেও তিনি রশিদ দেন না। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিটন হোসেন বলেন, আয় ব্যায়ের কোনো হিসাব স্কুলে নেই। তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক যদি কিছু বলেন তখন প্রধান শিক্ষক তাকে শোকজ করেন অথবা থানায় অভিযোগ করেন। মিথ্যা মামলা দেয়ার কথাও বলেন তিনি। বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আ. রহিম বলেন, শিার্থীদের ইউনিক আইডি এবং উপবৃত্তির জন্য যে অর্থ প্রধান শিক্ষক নিয়েছেন সেগুলো হিসেবের বাইরে। প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ বিহীন টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেন। আবার এনিয়ে সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেন তিনি। খোকসা উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো শোকজ করা হয়নি। তবে অবশ্যই অনুস্থিতির কারণে শোকজ করা হবে। কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে স্কুলটিতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।