খোকসায় জমতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

খোকসায় জমতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ৫, ২০২৬

পুলক সরকার, খোকসা ॥ জমতে শুরু করেছে কুষ্টিয়ার ঈদবাজার। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে অনেকে আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে ফেলার দিকে নজর দিয়েছেন। এবার ঈদ ঘিরে নারীর পোশাকে এসেছে নানা বৈচিত্র্য। ফারসি সালোয়ার কামিজ, পাকিস্তান-ভারতীয় নকশা ও প্যাটার্নের নানা পোশাক, কুর্তি-সিঙ্গেল কামিজ, টু-পিস, সারারা, ঘারারার দেখা মিলেছে খোকসা পৌর বাজারের দোকানে দোকানে।

পৌর বাজারের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছেলেদের বৈচিত্র্যময় পাঞ্জাবি, এবি, শার্ট, ফতুয়া, ব্যাগি-মোবাইল-ডেনিম-ফরমাল প্যান্ট, লাক্সারি ফ্যাব্রিকের জামাই প্যান্ট, আলিগড় ও চুড়িদার পায়জামা ইত্যাদি। এ ছাড়া শিশুদের নানা কাট ও নকশার পোশাকও থরে থরে সাজানো রয়েছে দোকানে। জুতার দোকানেও দেখা গেছে ভিড়ভাট্টা। থেমে নেই গজ কাপড়ের দোকানের বেচকেনাও। তবে দোকানিরা বলছেন, এখনও কাঙ্ক্ষিত বেচাকেনা শুরু হয়নি। পরশমণি সুপার মার্কেটের রঙ তুলি গার্মেন্টসের বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এবারের ঈদ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক। বেচাকেনা বেড়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা মিলছে না। ২০ রোজার পর থেকে বেচাকেনা আরও বাড়বে।’ এবারের ঈদে ফারনি সালোয়ার কামিজ বেশি চলছে বলে জানান অপর্ণা গার্মেন্টসের বিক্রেতা চঞ্চল হোসেন। নিজের শিশুর জন্য কেনাকাটা করছিলেন পিংকি আক্তার মনি । তিনি জানান, ভিড় এড়াতে ২০ রোজার আগেই ঈদের পোশাক কিনতে এসেছেন। মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা করতে এসেছে ১২ বছর বয়সী প্রমিস। সে বলে, ঈদের কেনাকাটা করতে এসে আমি অনেক খুশি। জামা কিনেছি, লেহেঙ্গা, চুড়িসহ আরও অনেক কিছু কিনব।