পুলক সরকার ॥ ঈদ আসতে আর বেশি দেরি নেই। মুসলমানদের এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে কেনাকাটার ধুম পড়ে গেছে শহর কিংবা গ্রামের ছোট-বড় সব শপিংমলে। কুষ্টিয়ার খোকসায় সকাল থেকে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত খোলা থাকছে দোকান-পাট। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ঢল নামছে ক্রেতাদের। তবে এবার নিরাপত্তা নিয়ে অনেকটাই স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ। নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জোরদার করা হয়েছে পুলিশের টহল কার্যক্রম। সাদা পোশাকেও চলছে নজরদারি।
অতীতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার খোকসায় নিরাপদ কেনাকাটায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা বলছেন, এবার কেনাকাটায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে যে কোনো অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতি এড়াতে সকল প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। খোকসার গুরুত্বপূর্ণ শপিংমল, মার্কেট ও আবাসিক এলাকায় বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম। পাশাপাশি সাদা পোশাকে নজরদারিও রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকে সচেতনতার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। মিতা খাতুন এসেছেন পরশমণি সুপার মার্কেটে। ঈদের কেনাকাটা করছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন বেশ তৎপর। এবারে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঈদ কেনাকাটায় স্বস্তি পাচ্ছি।’
ফারজানা নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ‘গত ঈদে মানুষের মধ্যে যে ভয়টা ছিল এবাস সেটা নেই। এবার নির্বাচিত সরকার আসার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আবার মাঠে ঠিকমতো কাজ করছে। যার ফলে সন্ধ্যার পর মার্কেটে আসার যে আতঙ্ক ছিল সেটা নেই। মানুষ অনেকটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেনাকাটা করতে ঘরের বাইরে বের হচ্ছে।’ ক্রেতাদের উপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে রঙ তুলি গার্মেন্টসের মালিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গত বছরের তুলায় এ বছর মোটামুটি ক্রেতার উপস্থিতি অনেকটা বেশি। সারাদিনই টুকটাক কাস্টমার আসছে।’ ঈদ কেনাকাটায় নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটায় মার্কেটগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যাতে মার্কেটগুলোতে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতাদের নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করতে পারি। এছাড়াও সাদা পোশাকে আমাদের নজরদারি রয়েছে।
