মিলন, খোকসা ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ১৩৫০ বস্তা ডিএপি ও এমওপি সার জব্দ করেছে। অবৈধ মজুদদারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও জব্দ সার বাজেয়াপ্ত করেছে আদালত। গতকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার কমলাপুরে অবৈধ সার মজুদদার শামিম হোসেনের গোড়াউনে অভিযান চালায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টট তাসমিম জাহান। ব্যবসায়ির গুদামজাত করা ডিএপি ও এমওপি সারের খাতাপত্র অনুযায়ী ১৩৫০ বস্তা সার মজুদ পায়।
অভিযুক্তের কোনো বৈধ ডিলারশিপ না থাকায় সারগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ওই অবৈধ সারের মজুদদারকে কৃষি বিপনন আইন ২০১৮-এ-১৯(ড) ধারায় নগদ ১ লাখ টাকা জমিমানা করে। একই সাথে জব্দের পর বাজেয়াপ্ত করা সব সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লা আল নোমান জানান, অবৈধ মজুদ সারের দাম প্রায় ১৩ লাখ টাকা। মজুদদার সামিম হোসেন বিএডিসি বা বিসিআইসির তালিকা ভুক্ত ডিলার নন। তিনি সব সার অবৈধ ভাবে মজুদ রেখেছিলো। সমস্ত সার কৃষকদের কাছে ন্যার্যমূল্যে বিক্রি করা হবে।
একই সাথে সমুদয় টাকা সরকারী কোষাগারে জমা হবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিম জাহান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি অভিযান পরিচালনা করেন। সমুদয় সার জব্দ করেন। অবৈধ মজুদদারকে জরিমানা করেছেন। এ ছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসারকে আহবায়ক করে আটক ও বাজেয়াপ্ত করা সার বিক্রির জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। তারা সার বিক্রির টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেবেন। অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন জানায়, কৃষি উপকরণে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুদ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
