এম আর সবুর, দৌলতপুর ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ( ১৬ জানুয়ারী) বাদ আসর দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ময়রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সাংসদ, দৌলতপুর উপজেলার ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব রেজা আহাম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বিল্লাল হোসেন,
সাবেক সহ-সভাপতি, প্রাগপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আজমল হোসেন, মথুরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আমিরুল ইসলাম, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান, কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম ফরজউল্লাহ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। প্রাগপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান সোনা মেম্বরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি রেজা আহাম্মেদ বাচ্চু মোল্লা বেগম জিয়ার স্মৃতিচারণে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।
“স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক”, এই শ্লোগান সামনে রেখে স্বৈরাচার এরশাদ পতনের আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের অগ্র সৈনিক ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তাঁকে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। দেশের স্বার্থে কোনো অন্যায়ের কাছে আপোষ করেননি। সর্বশেষ আপোষহীন সংগ্রামে তাঁকে তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে হারাতে হয়েছে, বড়ো ছেলে তারেক রহমানকে নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘ সতের বছর প্রবাস জীবন কাটাতে হয়েছে। তিনি নিজেও মিথ্যা মামলায় জেল জীবনে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন।
যার ফলশ্রুতিতে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস আমাদের পাথেয় হয়ে থাকবে। আমরা তাঁর আত্মার শান্তির জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া করি আল্লাহ যেন তাঁকে শান্তিতে রাখেন। উপস্থিত নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের শান্তির জন্য দোয়া পরিচালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আলেমে দ্বীন মোঃ রুহুল কুদ্দুস।
