কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীর যদুবয়রা ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের একটি খামারে খর্বাকৃতির গরু দেখতে প্রতিদিন আসছেন উৎসুক জনতা। খামার মালিকের ছেলে শুধুমাত্র শখের বশে পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে গরুটি কিনেছেন। ২০২১ সালে শ্রীপুরে ২২ ইঞ্চি উচ্চতার দেড় বছরের গরুর বাছুরের সন্ধানের পর এবার ৩০ ইঞ্চি উচ্চতার এক বছর দুই মাসের গরুর বাছুরের সন্ধান মিলেছে কুমারখালীতে। যদুবয়রা ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের খামারি বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন যাবত গরু পালন করেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু কিনে খামারে লালনপালন করে কোরবানি ঈদের আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে থাকেন। দুই মাস আগে তিনি পার্শ্ববর্তী ভ্যান চালক হান্নানের বাড়িতে গরু কিনতে গেলে খর্বাকৃতির গরুটি দেখে শখের বশে তার ছেলে মিশন খান কিনে খামারে নিয়ে আসেন। গরুটির উচ্চতা ৩০ ইঞ্চি লম্বা ৪০ ইঞ্চি এবং ওজন ৩৫ কেজি। বকন জাতের গরুর বাছুর এটি। তিনি জানান, ২০ /২৫ বছর খামারের ব্যবসা করেন কিন্তু কখনোই এমন আকৃতির গরু তার চোখে পরে নাই। শখের বশে গরুটি কিনেছেন জাত বাড়ানোর কোনো ইচ্ছে নাই। যদি কেউ খর্বাকৃতির গরুটি কিনতে চায় তিনি ২ লাখ টাকায় বিক্রি করবেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন গরুর বাছুরটি ভুটানি প্রজাতির। এলাকাবাসী জানান, এমন জাতের গরু আমরা এই প্রথম দেখছি। সাধারণ গরুর বাছুর থেকে খর্বাকৃতির এই বাছুরটি ভিন্ন। সেকারণেই প্রতিনিয়ত গরুটি দেখতে বিভিন্ন জায়গায় থেকে মানুষ আসছেন দেখার জন্য। উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, ইতিমধ্যে খর্বাকৃতির গরুর বাছুরটি দেখতে খামারে গিয়েছিলেন। বাছুরটি একধরনের প্রতিবন্ধী বলে উল্লেখ করেন তিনি, কারন এই বাছুরের মা গরুর উচ্চতা স্বাভাবিক আছে। আয়ারল্যান্ডের ডেক্সটার, ভারতের কেরালা ভেসুর বা ভুটানির ভুট্টি এই ধরনের জাতের গরু আছে।। খামারি বিল্লাল হোসেনের সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
