খননে পুরনো খরস্রোতা রূপ ফিরে পেল গড়াই নদী,পরিকল্পিত খননের কারণে নাব্য বেড়ে পুরনো খরস্রোতা -রূপ ফিরে পেল কুষ্টিয়ার গড়াই -নদী। পানির প্রবাহ বাড়ায় লবণাক্ততা কমেছে নদীর দক্ষিণাংশে। এতে খুশি স্থানীয়রা। আর নদী খননে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ড্রেজার মেশিন বসিয়ে চলছে নদী খনন। ধীরে ধীরে ফিরছে একসময়ের খরস্রোতা- রূপ। গড়াই খনন প্রকল্পের ব্যয় হচ্ছে ১১০ কোটি টাকা। গত ৪ বছরে নদীর ৩৫ কিলোমিটার অংশ খননের ফলে ফিরেছে নাব্য। এরই মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে এক কোটি ৯০ লাখ ঘনমিটার বালু।

খননে পুরনো খরস্রোতা রূপ ফিরে পেল গড়াই নদী
স্থানীয়রা জানান, শুষ্ক মৌসুমে কুষ্টিয়ার গড়াই- নদীতে এক সময় হেঁটে পার হতো দুই পাড়ের মানুষ। তবে ড্রেজিংয়ের ফলে এ বছর গ্রীষ্মে নদীতে পানি থাকায় ক্ষেতে সেচের সুবিধা মিলছে।দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা আরও হ্রাসের জন্য সরকার প্রতিবছর গড়াই- নদী ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা করেছে বলে জানান কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের
(গড়াই খনন প্রকল্প) নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মকর্তা -সৈকত বিশ্বাস।তিনি বলেন, গড়াই- নদীর এ পানির প্রবাহ বাড়ায় এরই মধ্যে খুলনার রূপসা ও সুন্দরবন পয়েন্টে কমতে শুরু করেছে লবণাক্ততার পরিমাণ। ক্ষেতে সেচের সুবিধাও মিলছে।