কোরবানিতে কুষ্টিয়ার চমক ভুট্টো সাহেব - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কোরবানিতে কুষ্টিয়ার চমক ভুট্টো সাহেব

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ২৯, ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার কোরবানির পশু বাজার জমে উঠেছে। জেলার বিভিন্ন হাটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যাপারীদের পদচারনায় মুখোরিত হয়ে উঠেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকার ঘরে ঘরে গরুর খামারিদের বিশেষ যত্নে বেড়ে ওঠা গরুগুলোর কদর এবার বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জানা গেছে, ব্যাপারীরা গ্রামের বাড়ি বাড়ি যেয়ে কোরবানির পশু কিনছে। সদর উপজেলার কবুরহাট মাদরাসা পাড়া নিবাসী কোরআনে হাফেজ রবিউল ইসলামের ছেলে হাফেজ আবু জাফর নিজ যত্নে গড়ে তুলেছেন একটি গরুর খামার। সেখানে সারা বছর ধরে নানা প্রজাতির গরু লালন পালন করছেন। এবার ঈদকে সামনে রেখে তিনি বেশ কয়েকটি গরু বিক্রির আশা করছেন। হাফেজ আবু জাফরের কয়েকটি গরুর মধ্যে ‘ভুট্টো সাহেব’ গরুটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ফিজিয়ান জাতের কালো রঙের এই গরুর বয়স ৪ বছর। গোশতের পরিমাণ দাঁড়াবে সাড়ে ২৭ মণ। বিশাল দেহের অধিকারী গরুটি দেখতে প্রতি দিনই বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষের ভিড় লাগছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাপারীদের নজর কাড়তে শুরু করেছে এই গরুটি। আবু জাফর জানান, ‘বিগত ৪ বছর ধরে আমি এবং আমার পরিবারের লোকজনেরা আপন করে নেয়া গরুটিকে সযত্নে লালন পালন করে আসছি। গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জেলার গো খামারীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, ‘আমার এই গরুটিকে কাঁচা ঘাস ও দানাদার জাতীয় খাবার খাওয়ানো হয়। গতবার ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা দাম উঠেছিল তাই বিক্রি করিনি। ইতোমধ্যে এবার একজন ব্যাপারী সাড়ে ৬ লাখ টাকা দাম বলেছেন। ৭ লাখ টাকা হলে আামি গরুটি বিক্রি করবো। জাফর জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি আমি গরু পালন শুরু করি। প্রথমে গাভী গরু দিয়ে শুরু করি। বিদেশী প্রজাতির গাভী গরুর দুধ বিক্রির পাশাপাশি কোরবানিকে টার্গেট করে বিভিন্ন প্রজাতির গরু পালন করি। গরু পালন করে আর্থিকভাবে লাভবানও হয়েছি।