কুষ্টিয়া রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ১২, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে কুষ্টিয়া রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় এর ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১১ মে) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া র‌্যালিটি কলেজ মোড় অতিক্রম করে শহরের থানা মোড় থেকে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাবুর আলী গেট ও পুরাতন কাটাইখানা মোড় হয়ে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লাকার্ড নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর আখতার হোসেন।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবুল হাসেম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) নওয়াব আলী, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আতাউর রহমান। সার্বিক সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) সাব্বির সুমন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর আখতার হোসেন বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শিক্ষাদানের স্থান নয়, এটি জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও নৈতিকতা বিকাশের কেন্দ্র। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) নওয়াব আলী বলেন, বিগত ১১ বছরে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

ভবিষ্যতেও শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে আমি আশাবাদী। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তলন করা হয়। আলোচনা শেষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বেলুন উড়িয়ে ও কেক কাটা হয়। তবে সকাল থেকে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। পরে দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।