রঞ্জুউর রহমান ॥ সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ শিল্পকলা একাডেমী ২০১৭ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ঢাকার পরেই কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির অবস্থান । এ
খানে রয়েছে ৩টি অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক ফিক্স অডিটোরিয়াম, মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়াম এবং এরিনা মঞ্চ। এক একর জায়গার ওপরে নির্মিত এই কমপ্লেক্স ভবনটি । বাংলাদেশের মধ্যে এটিই সেরা অত্যাধুনিক কমপ্লেক্স শিল্পকলা একাডেমী ভবন।
জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ সুজন রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রতি মাসে ১ লক্ষ ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সর্বমোট ১৩ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল নিশ্চিত করে তিনি বলেন, এর মধ্যে আমরা তিন লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু ১৩ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল কত মাসের সেটি না দেখে তো বলা যাবে না। কারণ এক মাসের বিল যদি বাকি থাকে তাহলে পরের মাসের বিল এর সাথে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
অর্থাৎ আগের মাসে যদি ১ হাজার টাকা সুদ হয়,দ্বিতীয় মাসে সেটি ২ হাজার টাকা হয়ে যায় এবং তৃতীয় মাসে সেটি ৪ হাজার টাকায় হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমী যদি স্থায়ীভাবে কোন আয় না হয় তাহলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সেই বিল পরিশোধ করবে। আমরা তাদেরকে চিঠি দিয়েছে তার অংশ হিসাবে আমরা তিন লক্ষ টাকা পেয়েছি এবং সেটি আমরা পরিশোধ করেছি আবার যদি আমরা টাকা পায় তাহলে বাকি টাকা পরিশোধ করে দিব।
শিল্পকলা একাডেমী তো আমাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এটা সরকারি সম্পত্তির সরকার টাকা দিলে আমরা এক ফান্ড থেকে অন্য ফান্ডে ট্রান্সফার করে দেই মাত্র।
এখন সরকারে একটি দপ্তর যদি টাকা দিতে দেরি করে তাহলে অন্য দপ্তর টাকা পেতে দেরি হবে ব্যাপারটা এরকম। এটা তেমন সিরিয়াস কোন বিষয় নয়।
গবেষণা অফিসার (বাজেট ও প্লানিং) মোসা সামসুন্নাহার আক্তার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ১৩ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১, ওজোপাডিকো, কুষ্টিয়া এর নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌঃ এস,এম, ফজলে রাব্বি বলেন, জুন মাসে জেলা শিল্পকলা একাডেমী তিন লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ পরিশোধ করার পর এখন পর্যন্ত গত ৯ থেকে ১০ মাসের বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ সর্বমোট ১১ লক্ষ টাকার কিছু বেশি হবে।
