কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৪ উদ্যাপন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৪ উদ্যাপন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৪

রঞ্জুউর রহমান ॥ গতকাল রবিবার (৬ অক্টোবর) সকাল দশটা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও উপপরিচালক স্থানীয় সরকার (অঃদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসন কুষ্টিয়া এর আয়োজনে “জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, আনবে দেশে সুশাসন” প্রতিপাদ্য জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ শারমিন আখতার এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম শীল,সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রবাসী কল্যাণ শাখা) রীনা খানম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ব্যবসা, বানিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা) আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল মুন্সিখানা শাখা) মোঃ জাহিদ হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ই-সেবা কেন্দ্র ও স্থানীয় সরকার শাখা) আবু সালেহ মোঃ নাসিম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয় শাখা)মোঃ আব্দুর রকিব, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ফরমস এন্ড স্টেশনারি শাখা ও লাইব্রেরি শাখা) ফারজানা সুলতানা মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, ২০০১-০৬ সালে ইউনিসেফ-বাংলাদেশের সহায়তায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ২৮টি জেলায় ও ৪টি সিটি করপোরেশনে জন্মনিবন্ধনের কাজ নতুন করে শুরু হয়। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারা অনুযায়ী, শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন এবং কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ ভাগ মানুষকে নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন আইনে সবাইকে জন্ম ও মৃত্যুর দেড় মাসের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’পালনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ শারমিন আক্তার বলেন,ইতিমধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রতিযোগিতা মূলক করার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে কারণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এখন সব ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে তাই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ভুল ত্রুটি হওয়াটা বঞ্চনীয় না। সেবা কাঙ্খিত ব্যক্তিদের যাদেরকে নিয়ে আমরা কাজ করছি তাদের শতকরা ৭০ থেকে ৮০ভাগ মানুষই হচ্ছে অসচেতন হাওয়ায় তারা সঠিকভাবে তথ্য দিতে পারে না। ফলে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ভুল ও সংশোধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আমরা যদি তাদের কাছে তথ্য নেওয়ার সময় তাদের কথার উপর ভিত্তি না করে সেই ব্যক্তির তথ্য পাত্রের ওপর ভিত্তি করে কাজ করি তাহলে আশা করি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ভুলের পরিমাণ অনেক অংশে কমে যাবে তাই আমাদের সবার চেষ্টা থাকবে যেন সকল বাধা অতিক্রম করে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের কাজ করা।