নিজ সংবাদ ॥ আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় দিন। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও সম্ভ্রম হারানো মা-বোন, সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে লাল-সবুজের পতাকা। মহান বিজয় দিবস ২০২৪ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনকর্তৃক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ (একত্রিশ) বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা করা হবে। কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণ, কালেক্টরেট চত্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে যথাযথভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন।
সকাল ৬ টা ৩৯ মিনিটে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বরের কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ। সকাল ৮ টায় কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৮টায় দুর্বাচারা শহিদ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের কবরস্থানে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ। সকাল ৯ টায় বিত্তিপাড়া বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ। সকাল ১০ টায় পিয়ারপুর শহিদদের কবর সংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ। সকাল সাড়ে ১০ টায় আড়পাড়া রাধানগর গ্রামে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ। সকাল ১১ টায় সুবিধাজনক সময়ে দুপুরে কর্মসূচি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা।
এরপর শহিদ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত-প্রার্থনা। দুপুরে হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, শিশু পরিবার (বালক-বালিকা), সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, সমন্বিত শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র (বালক-বালিকা) ও সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যালয়ে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন। সন্ধ্যা ৬ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ সুবিধাজনক সময়ে শিশুদের জন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। দিনব্যাপী আড়ম্বরপূর্ণ বিজয়মেলার (চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্প পণ্যের) উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।
