কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসে হতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসে হতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: এপ্রিল ২৯, ২০২৪

আমিন হাসান ॥ অগ্নিদুর্ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকতে ফায়ার এক্সটিংগুইশার বা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার ও মেয়াদের বিষয়টি  বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে। গতকাল রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরবেলা হঠাৎ  নির্বাচন ভবনের বিভিন্ন দেয়ালে দেখা গিয়েছে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের কোনটিরই এখন মেয়াদ নেই। ফলে কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসের যে কোন দুর্ঘটনায় ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে। ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক ভোটার, প্রার্থী কর্মকর্তা-কর্মচারী সমগম প্রতিদিন এই দপ্তরে। এমন জায়গায় অগ্নি দুর্ঘটনায় প্রথম ভরসা অগ্নি নির্বাপকযন্ত্র। অথচ সেগুলোর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তথ্যমতে প্রায় সাত বছর আগে। এই নির্বাচন ভবনে পুরানো নতুন মিলিয়ে মোট আটটির মতো অগ্নি নির্বাপকযন্ত্র আছে। নির্বাচন অফিসের এই দপ্তরের দেওয়ালে লাগানো নির্বাপকযন্ত্র গুলোর মেয়াদ ১৭ মে ২০১৭ সালে শেষ হওয়ার পরেও সেগুলো রিফিল করার জন্য এখনো সরিয়ে নেওয়া হয়নি। ভবনে রাখা সিলিন্ডার গুলো পরীক্ষা করে দেখা যায় সেগুলো ২০১৭ সালের মাঝামাঝিতেই মেয়াদ উত্তীর্ণ  হয়ে গেছে। দেশে যেভাবে তাপমাত্রার বৃদ্ধি পেয়েছে তাই যে কোন মুহূর্তে অগ্নি দূর্ঘটনা ঘটতে পারে এটা স্বাভাবিক কিছু নয় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) রাসায়নিকের মেয়াদ প্রতি বছরে শেষ হলেও এ বিষয়ে জানেন না কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিস কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমাদের তরফ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। আবার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকেও পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। যেহেতু এটা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র আমাদের সরজমিনে তদন্ত, পরিদর্শন বা তদারকি  অবশ্যই থাকে সবগুলোতেই তো সব সময় আসলে যাওয়া সম্ভব হয় না বা একটু কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। রিফিলিং করার সময় হয়তো কাগজ পড়ে গেছে বা ছুটে গেছে তবে ঠিক আছে আমি বিষয়টি এখনি আমার ইন্সপেক্টর কে জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ আবু আনসারকে মুঠোফোন এ বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, আমি আমার পেশেন্ট নিয়ে হাসপাতালে আছি এবং অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার কে  ফোন দিতে চাইলে জেলা নির্বাচন অফিসার আরোও বলেন তিনি বরিশাল আছে অফিসে নেই। নিউজ লেখা চলাকালীন তিনি সারাদিনে কোন প্রকার তথ্য দেননি।