বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খাজানগর মোল্লাপাড়া যুবসংঘের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রয়েল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে খাজানগর মোল্লাপাড়া এলাকায় আয়োজিত নির্ধারিত মাঠে এই ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন প্রধান। এতে সভাপতিত্ব করেন সালাম এন্ড দাদা অটো রাইস মিলস সত্বাধীকারী হাজী আব্দুস সালাম। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন, মেসার্স মোল্লা এগ্রো ফুড প্রডাক্টস সত্ত্বাধিকারী জিল্লুর রহমান মোল্লা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, বটতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহজাহান আলী হান্নান মেম্বর, সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান আনিছ, সাবেক ছাত্র নেতা আশরাফ হোসেন নয়ন। বটতৈল ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, বটতৈল ইউপি ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মজিবর রহমান প্রধান, সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি হাজী আহসান উল্লাহ, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি ইকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল প্রামানিক, জনতা রাইস মিলস সত্ত্বাধিকারী মামুন প্রধান, আরব বাংলাদেশ অটো রাইস মিলস সত্ত্বাধিকারী হাজী বয়েন উদ্দীন, সনিরোজ এগ্রো ফুড প্রোডাক্টস সত্ত্বাধিকারী শামীম মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সার্বিক সঞ্চালনা করেন জহুরুল ইসলাম ও মারুফ হোসেন । এতে সার্বিক কাজে সহযোগিতা করেন, নাসির উদ্দিন, রিন্টু মোল্লা, টিটু মোল্লা, রানা মোল্লা, নাইফ, জুবায়ের, লিখন, আলামিন, তাহসান, আলেফ প্রমূখ।
এ খেলায় ৮টি দল অংশ গ্রহণ করেছিলো। ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় টুর্নামেন্টের দুটি শক্তিশালী দল, আরব বাংলাদেশ অটো রাইস মিলস ও কবুরহাট মিয়া পাড়া খেলোয়াড়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও দর্শকদের করতালিতে মুখর পরিবেশে খেলা শেষে আরব বাংলাদেশ অটো রাইস মিলস খেলোয়াড় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। রানার্সআপ হয়েছে কবুর হাট মিয়াপাড়া খেলোয়াড়। এদিকে খেলাটি উপভোগ করতে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পুরস্কার বিতরণীতে অতিথি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তরুণদের খেলাধুলায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। এসময় প্রধান অতিথি জয়নাল আবেদীন প্রধান বলেন, যুবসমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। আয়োজকরা জানান, সুস্থ বিনোদনের সুযোগ করে দিতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
