কুষ্টিয়ার আলফা মোড়ে সিএনজি স্ট্যান্ড’ নাম দিয়ে চাঁদাবাজি - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ার আলফা মোড়ে সিএনজি স্ট্যান্ড’ নাম দিয়ে চাঁদাবাজি

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ১২, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ মহাসড়ক দখল করে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে চলছে কুষ্টিয়া মেহেরপুর মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা সিএনজিচালিত গাড়ির স্ট্যান্ড, এসব কারণে বাড়ছে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি। প্রশাসন এসবের বিরুদ্ধে নিচ্ছে না কোন ব্যবস্থা। অভিযোগ রয়েছে, কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়ী আলফা মোড় এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ম্যানেজ করে চলেছে এ সিএনজি স্টান্ড। জানা যায় আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আস্থাভাজন অমি রনির ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম আনিফের চাচাতো ভাই আতার অত্যন্ত স্নেহভাজন আশিকের নিয়ন্ত্রণে চালতো এই সিএনজি স্ট্যান্ড।

সরকার পতনের পর এখন সবকিছু পরিবর্তন হলেও হয়নি আশিকের সিএনজি স্ট্যান্ড এর দখলদারিত্ব আগের মতই আছে তার স্ট্যান্ডের একক আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ। জানা যায়, কুষ্টিয়া বামুন্দি পর্যন্ত প্রতি সিএনজি প্রতি নেওয়া হয় ৩৫ টাকা কুষ্টিয়া আমলা পর্যন্ত নেওয়া হয় ৩০ টাকা কুষ্টিয়া ভেড়ামারা পর্যন্ত নেওয়া হয় ৩০ টাকা ও কুষ্টিয়া থেকে রুপপুর পর্যন্ত নেওয়া হয় ৩৫ টাকা প্রায় প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ সিএনজি থেকে নেওয়া হয় এসব টাকা । তবে সিএনজি স্ট্যান্ডের কাউন্টার মাস্টার মুক্তার জানান, সিএনজি স্ট্যান্ডের সিরিয়াল মেনটেন বাবদ নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশ না করে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানাই, আমরা বাচ্চা নিয়ে স্কুলে যেতে আমাদের অনেক সমস্যা হয় সড়কের উপরে পড়ে থাকে সিএনজি যেকোনো সময় বড় ধরনের ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। স্থানীয় এক দোকানদার জানান, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সে দলের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এরা চলে যে সিএনজি স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করে সে কারণে প্রশাসনে এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না। ঈশ্বরদী থেকে আসা এক সিএনজি চালক জানায়,আমরা যদি তাদের সিএনজি স্ট্যান্ডে সিরিয়াল না দিয় তাহলে পুলিশ লাইনের পাশে থাকা পেট্রোল পাম্পে সাথে রাস্তার উপর তাদের লাঠি হাতে নিয়ে লাঠিয়াল বাহিনী থাকে তাদের তারা সিএনজিতে থাকা যাত্রীদের নাবিয়ে নিয়ে তারা সিএনজি স্টাডে আমাদের গাড়ি নিয়ে যেয়ে সেখান থেকে সিরিয়াল বাবদ ৩৫ টাকা নেয়। এ বিষয়ে হাইওয়ের ওসি সৈয়দ আল মামুন এর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।