কুষ্টিয়ায় শীতের পেশাকের ক্রেতা শূণ্যতায় ব্যবসায়ীরা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ায় শীতের পেশাকের ক্রেতা শূণ্যতায় ব্যবসায়ীরা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: নভেম্বর ২০, ২০২৩
কুষ্টিয়ায় শীতের পেশাকের ক্রেতা শূণ্যতায় ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশ ষড় ঋতুর দেশ। প্রত্যেক দুই মাস অন্তর অন্তর ঋতু পরিবর্তন হয়। ঋতু পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় অগ্রহায়ণ মাস থেকেই শীতের সূচনা হতে থাকে। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়। পত্রকুঞ্জে ও জলে-স্থলে সর্বত্রের পরিবর্তন বলে দিচ্ছে শীতকাল এসে পড়েছে।

কুষ্টিয়ায় শীতের পেশাকের ক্রেতা শূণ্যতায় ব্যবসায়ীরা

কুষ্টিয়ায় শীতের পেশাকের ক্রেতা শূণ্যতায় ব্যবসায়ীরা

কুষ্টিয়ায় শীতের পেশাকের ক্রেতা শূণ্যতায় ব্যবসায়ীরা

কুষ্টিয়া জেলা ব্যাপি সপ্তাহ ধরে সকাল-বিকেল হালকা থেকে ঘণ কুয়াশা দেখা গেছে। শীতের আমেজ শুরু হাওয়ার সাথে সাথে কুষ্টিয়া শহরের প্রায় সমস্ত পোশাকের দোকান গুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রকম এবং বাহারী শীতের পোশাক। সেই সাথে শীতের পোশাক কিনতে শহরের দোকান এবং ফুটপাত গুলোতে ভীড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। এন এস রোডের বিভিন্ন পোশাকের দোকন ঘুরে দেখা যায়, সব দোকানেই রয়েছে ছোট বড় সব ধরনের ক্রেতা । তবে শীতের পোশাকের মূল্য বেশী রাখার অভিযোগ করেছেন অধিকাংশ ক্রেতা। অবশ্য দোকানদারে পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ভিন্ন কথা।

শীতের পোশাক কিনতে আসা ক্রেতা রাজ বলেন, সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেট শীতের পোশাকের দাম মোটামুটি কম আছে। আমরা সীমিত আয়ের মানুষ নতুন পোশাক কেনার টাকা নাই, তাই আমরা এ সেকেন্ড হ্যান্ডমার্কেটে এসেছি। স্বল্প মূল্যে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য শীতের পোশাক কিনতে। জেসমিন আক্তার নামের অপর ক্রেতা জানান, একটু কম টাকায় শীতের পোশাক পাবো বলে আমার ছেলের জন্য শীতের পোশাক কেনার জন্য এই সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটে এসেছি। বড় মার্কেটে শীতের পোশাক দাম অনেক বেশি। সেখান থেকে কেনা সামর্থ্য তো আমাদের নাই, তাই এই সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটে এসেছি। এখানে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন জামা-কাপড়, লেপ ও কম্বল পাওয়া যায় তার জন্য আসা। দামে দরে হলে নিব, না হলে বাড়ি চলে যাব।

এন এস রোডের পোশাক বিক্রেতা মোহাম্মদ ফরিদ জানান, বেচাকেনা খুবই মন্দা। শীত কম হওয়ায় বেচাকেনাও তেমন নাই। আমরা মাল কিনে এসে বসে আছি, শীত পড়লে বেচাকেনা হবে। আপাতত খুব একটা ক্রেতা নাই। তাছাড়াও বর্তমানে মানুষের আর্থিক অবস্থা খারাপ। প্রত্যেকটা দোকানদার বসে আছে বেচা কেনা নাই। গত বছরে এই সময় প্রতিদিন ১৫/২০ হাজার টাকার বেচাকেনা হতো কিন্তু এ বছর প্রতিদিন মাত্র দুই থেকে তিন হাজার টাকার বেচাকেনা হচ্ছে। মানুষের কাছে পয়সা নাই। সব জিনিসের দামও বেশি। মানুষের হাতে টাকা না থাকলে কিনবে কিভাবে। আশা করি শীত বাড়লে বেচাকেনা বাড়বে।

এন এস রোডের অপর বিক্রেতা সলক বেপারী জানান, পুরাতন শীতকালীন কাপড়ের বাজারে ছোটদের সোয়েটার, জ্যাকেট, কম্বল, লেপ ইত্যাদি পাওয়া যায় । শীতের এই পোশাক গুলোর দাম ও কোয়ালিটি অনুসারে ৬০টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্রেতা সমাগম কম। এসব মার্কেটে শীত যত বাড়ে ক্রেতা সংখ্যা তত বাড়ে। আশা করি শীত পড়লে এবছর ভালো বেচাকেনা হবে।