নিজ সংবাদ \\ “নারীর সমঅধিকার, সমসুযোগ এগিয়ে নিতে হোক বিনিয়োগ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও কুষ্টিয়া মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কর্যালয়ের যৌথ আয়োজনে বিশ্ব নারী দিবস ২০২৪ পালিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে কালেক্টরেট চত্ত¡রন জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার আয়োজনে বার্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে বিশ্ব নারী দিবস ২০২৪ কার্যক্রম শুরু করা হয়। র্যালি শেষে জেলা প্রশসাকের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোছা: নাসরিন বানু’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ তারেক জুবায়ের, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবদুল ওয়াদুদ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ মিজানুর রহমান, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোঃ কাওছার হোসেন, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (রেভিনিউ মুন্সিখানা শাখা, ভ‚মি অধিগ্রহণ শাখা ও জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা) মোঃ জিলুর রহমান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (রাজস্ব শাখা) স্বরুপ মুহুরী, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ট্রেজারী ও স্ট্যাম্প শাখা এবং নেজারত শাখা) শাহেদ আরমান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ব্যবসা, বানিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা, রেকর্ডরুম শাখা) আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা, প্রকল্প পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন শাখা) মোঃ রাহাতুল করিম মিজান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুমতাহিনা পৃথুলা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা, প্রবাসী কল্যাণ শাখা) সৈয়দা আফিয়া মাসুমা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (আইসিটি শাখা ও ই-সেবা কেন্দ্র) মোঃ তাফসীরুল হক মুন এবং মহিলা অধিদপ্তর কষ্টিয়ার উপপরিচালক নূরে সফুরা ফেরদৌস সহ জেলা প্রশাসন ও মহিলা অধিদপ্তর কষ্টিয়ার কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধিগণসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। আলোচনা সভায় বক্তারা বিশ্ব নারী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে আমাদের জীবন শক্তিশালী প্রযুক্তিগত একীকরণের ওপর নির্ভর করে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের যেকোনো কাজ যেমন: প্রিয়জনকে কল করা, ব্যাংক লেনদেন করা বা একটি মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা সবকিছু একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। তা সত্তে¡ও বিশ্বব্যাপী ৩৭ শতাংশ নারী ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। পুরুষদের তুলনায় ২৫৯ মিলিয়ন নারীর ইন্টারনেটে কম প্রবেশাধিকার রয়েছে। যদি নারীরা ইন্টারনেট ব্যবহার না করেন অথবা অনলাইনে নিরাপদ বোধ না করেন তবে তারা ডিজিটাল দুনিয়ায় জড়িত থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হবেন না, যা তাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত সম্পর্কিত পেশা অর্জনের সুযোগ কমাবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ৭৫ শতাংশ চাকরি এই ক্ষেত্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত হবে। ফলে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীর কম পদচারণার কারণে উন্নয়ন ও লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
