কুষ্টিয়ায় প্রতারণা মামলার আসামি কর্তৃক ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজ দখলের পায়তারা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ায় প্রতারণা মামলার আসামি কর্তৃক ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজ দখলের পায়তারা 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: নভেম্বর ১৯, ২০২৪

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রতারনা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অধ্যক্ষ পদে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি করেছেন তিনি। অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটিপতি বনে গেছেন তিনি। গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে পদ ত্যাগ করেন তিনি। আব্দুল মান্নান প্রতারনা মামলার আসামী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।

নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কলেজ দখলের চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় কলেজের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মানুষের সাথে প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে অঢেল সম্পদ গড়েছেন। সে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের যোগসাজেশে এসব অপকর্ম করে আসছে। আব্দুল মান্নান দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পূর্ব ফিলিপনগর গোলাবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইসমাইল সর্দারের ছেলে। তবে তিনি বসবাস করেন অবৈধ টাকায় কেনা কুষ্টিয়া মজমপুর এলাকার ফ্ল্যাটে। গত ২৬ এপ্রিল মাদারীপুর সদর থানাতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। মামলা করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এনজিওর পক্ষে এরিয়া ম্যানেজার।

মামলার বাদী সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন প্র্যাকটিসেস (সিদীপ) এর এরিয়া ম্যনেজার মশিউর রহমান। মামলা সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মান্নানের অবৈধ যোগসাজস, সহযোগীতায় এবং কুপরামর্শে প্রতারণামূলকভাবে এনজিওর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাধের অসৎ উদ্দেশ্যে প্রনোদিত হয়েই মূলত উক্ত, এনজিওতে তার নিকটাত্মীয়কে চাকুরিতে যোগদান করান। মামলাতে আব্দুল মান্নানের উল্লেখিত বয়সের সাথে তার বর্তমান বয়স, এজাহারে ভুল হওয়ার কারনে অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান এড়িয়ে বিষয়টি এড়িয়ে চলেছে। মাদারীপুর সদর থানাতে একটি জিআর ৪০৬/৪২০/৪০৮/১০৯/৫০৫(পেনাল কোড-১৮৬০) মামলার নম্বর মাদারীপুর সদর থানার মামলা নং-৬৫, তারিখ ২৬/০৪/২০২৪, মাদারীপুর সদর জিআর:-২৬৯।

তবে মামলার তথ্য বিবরনীর ডকুমেন্টরী নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী অনুসন্ধানে নামলে বেরিয়ে আসে মান্নানের থলের বিড়াল। অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান এর নামে আরো একাধিক প্রতরনা মামলা রয়েছে। অনেক গুলো আপোষ শর্তে মিমাংসা করে নিয়েছে। আব্দুল মান্নান অত্র এলাকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুপারিশ, গ্র্যান্টার ও গুড সনদ পত্র প্রদান, এসবের বিনিময়ে গোপনে হাতিয়ে নেন ৫০ হাজার থেকে লাখ টাকা। মামলার বিষয়ে ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান জানান, এই মামলা ভুয়া, নাম ঠিকানার গড়মিল রয়েছে। আমি এই মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে কিছুই জানিনা, তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখি।