কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. সুমন হোসেন (৩৫) মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. আবেদ আলী মেম্বারের ছেলে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শিলাইদহ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল গাফফারের নেতৃত্বে কয়েক ব্যক্তি মির্জাপুর গ্রামে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী রুমীর অনুসারী কয়েকজন কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায়।
এ সময় হামলাকারীরা রবিউল, সুমন ও নজরুলের বাড়িতে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় মো. আবদুল গাফ্ফার ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমনের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সামিনা ইসলাম জানান, সুমনের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গভীর ক্ষত হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে। অভিযুক্ত মো. আবদুল গাফ্ফার শিলাইদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের জলই প্রামাণিকের ছেলে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, ঘটনার বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
