কুমারখালীর যদুবয়রাতে প্রতিদিন লাঠি সোটা নিয়ে রাস্তায় উশৃঙ্খল যুবকেরা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীর যদুবয়রাতে প্রতিদিন লাঠি সোটা নিয়ে রাস্তায় উশৃঙ্খল যুবকেরা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলা ৮ নং যদুবয়রা ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ইউনিয়নে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। যার প্রেক্ষিতে কুমারখালী থানায় দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা এবং জমা পড়েছে অনেক অভিযোগ।

কুমারখালীর যদুবয়রাতে প্রতিদিন লাঠি সোটা নিয়ে রাস্তায় উশৃঙ্খল যুবকেরা

অন্যদিকে নির্বাচনী পরিবেশকে আরো জটিল করে তুলতে যদুবয়রা বাজারের প্রায়শই কতিপয় যুবককে দেখা যায় লাঠি সোঠা নিয়ে মহড়া দিতে। যার ফলে সব সময় আতঙ্কের মধ্যে দিন রাত অতিবাহিত করে এলাকার সাধারণ মানুষ। গত ২২ ডিসেম্বরে তারিখে যদুবয়রা বাজারের একটি সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া এলাকার মৃত ওয়াহেদ এর পুত্র সাবান, সাজাহান বাবুর পুত্র তুষার, গোলাম মোস্তফার পুত্র আনিস, আনছারের পুত্র হাফিজ, এনায়েতপুরের শরিফুল এর পুত্র সরাজ, শরিফুলের পুত্র জয়, উত্তর চাঁদপুরের বাবু সেখের পুত্র স্বপন, আত্তাব খা’র পুত্র তৌহিদ মাস্টার, মহিরুদ্দিনের পুত্র নয়ন, দক্ষিণ ভবানিপুরের মল্লিকের পুত্র সাইদুল, চর এতমামপুরের আলতাফের পুত্র রনি, যদুবয়রার আকবার আলী মন্ডলের পুত্র রিপন এবং ছাতিয়ানে আরিব সহ আরো বেশ কয়েকজন যদুবয়রা বাজারে রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা সময় লাঠি সোঠা নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন। যার ফলে যদুবয়রা বাজার সহ আশে পাশের এলকার মানুষের মধ্যে সব সময় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ সন্ধার পর প্রয়োজনীয় কাজেও বাড়ীর বাইরে যেতে ভয় পায়। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, উল্লেখিত সবাই সেলিম আলতাফ জর্জের নৌকা প্রতীকের কর্মি এবং সমর্থক। এলাকায় যাতে অন্য কোন প্রার্থীর নেতা কর্মিরা ভোট চাইতে আসতে না পারে তাই তারা লাঠি সোঠা নিয়ে সব সময় মাঠে থাকে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাবাসীর মধ্যে একজন বলেন, তারা সব সময় সাধারণ মানুষকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। নৌকার বাইরে ভোট দিলে সমস্যা হবে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে নানা ধরণের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে এই এলকায় ভোটকে কেন্দ্র কয়ে বেশ কয়েকবার সয়ঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এলাকার সবাই ভোট দিতে পারবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছে। তবে পুলিশ এই এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে। কিন্তু যখন পুলিশ থাকে না তখনই তারা এই ভাবে লাঠি সোঠা নিয়ে বের হয়। এই বিষয়ে জানতে যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকিবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানলাম। খোঁজ খরব নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।