কুমারখালীতে শত্রুতা করে ৪ পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে শত্রুতা করে ৪ পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে ৪ পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে ভুক্তভোগী আবদুল শেখ’র ছেলে মো. সুজন শেখ (৩৮) কুমারখালী থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের আবদুল শেখ উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে ৪টি পুকুর লিজ নিয়ে প্রচুর পরিমাণে মাছ ছাড়ে। লিজকৃত পুকুরের মালিকদের সাথে শিলাইদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মো. আবেদ শেখ’র ছেলে মো. সুমন শেখ (২৯), নুর মোহাম্মদ’র ছেলে মো. নজরুল শেখ (৩৫),  মৃত আলম মন্ডলের ছেলে হারুন মন্ডল (৪০), মৃত আশা শেখের ছেলে মো. কাজল শেখ (৪১), মৃত ছাতাই মন্ডলের ছেলে মো. রাশেদুল মন্ডল (৪২) এবং নন্দলালপুর ইউনিয়নের বুজরুখ বাখই গ্রামের মো. কুদু শেখের ছেলে মো. সুমন শেখ (৩৮) দের সাথে পুকুর মালিকের দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ ও শত্রুতা।

পুকুর লিজ নেওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়া প্রতিনিয়ত হুমকি ভয়ভীতি প্রদর্শন করা সহ পুকুরের মাছ মারিয়া নিবে মর্মেও হুমকি প্রদান করে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১২ টার সময় উল্লেখিত অভিযুক্তরা মির্জাপুর গ্রামস্থ ২টি পুকুরের মাছ মারিয়া নেয়। সেই সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মো. সুমন শেখ  তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া উপরে গুলি করে এবং অন্যান্য অভিযুক্তরা হাসুয়া, বেকী, রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়া মারতে আসে। আমরা জানের ভয়ে দ্রুর ঘটনাস্থল হইতে চলিয়া আসি বলে মো. সুজন শেখ উল্লেখ করেন। লিখিত অভিযোগে মো. সুজন শেখ আরও বলেন, গতকাল শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল অনুমান ৭ টা হতে সাড়ে ৭ টার মধ্যে অভিযুক্তরা বিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পুনরায় মির্জাপুর গ্রামস্থ ৪টি পুকুরের মাছ নিধনের জন্য কারেন্ট বিষ প্রয়োগ করে।

বিষ প্রয়োগের কিছুক্ষণ পরেই পুকুরের মাছগুলি ভাসিয়া উঠিলে আশপাশের লোকজন মোবাইল ফোনে আমাদের বিষয়টি জানান। আমরা সকাল সাড়ে ৮টার সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমাদের ৪টি পুকুরের মাছ মরে ভেসে আসে। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজনদের নিকট গোপনে জানতে পারি উল্লেখিত অভিযুক্তরা শত্রুতার বশবর্তী হইয়া আমাদের পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছগুলি মেরে ফেলেছে। যার ফলে আমাদের প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। জানতে চাইলে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ বলেন, তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।