কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালী শহরের বাজারের বেশিরভাগ ফুটপাত ধরে হাঁটার উপায় নেই। এখানকার রাস্তার দুই পাশের ফুটপাতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দোকানপাট-স্থাপনা। ফুটপাত দখলে থাকায় পথচারীরা বাধ্য হন রাস্তায় নেমে চলতে। যত্রতত্র গাড়ি ও রিকশা পার্কিং তো রয়েছেই। ফুটপাত ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজার ইজারাদারের ম্যানেজ করেই ব্যবসা চালাচ্ছেন তারা। কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে হল বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের বড় একটা অংশ ফলের দোকান ও জামা-কাপড়ের ব্যবসায়ীদের দখলে। আর প্রতিদিন বিকেল হলে সড়কের দুই পাশ দখলে চলে যায় সজীব বিক্রেতাদের দখলে। কুমারখালী রেল স্টেশনে এলাকা দখলে রয়েছে সবজি, মাছ, ভাজাপোড়া ও ফল ব্যবসায়ীদের দখলে। কুমারখালী বাজারের ব্যবসায়ী বিশ্ব বলেন, বাজারে ঈদের আগে ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু নির্মাণের ফলে, শহর কেন্দ্রিক ভ্যান , মটরসাইকেল সহ অন্যান্য যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফুটপাত দখল মুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই বিষয়ে নজর দিতে হবে। ফুটপাত দখল করে রাখা ফল ব্যবসায়ী সুজন বলেন, আমরা গরিব মানুষ কি করে খাবো। ফুটপাতে দোকান দিছি কেউ তো কিছু বলে না। এখান থেকে প্রতিদিন ইজারাদারের কিছু টাকা দিতে হয়। কুমারখালী পৌর প্যানেল মেয়র, এস এম রফিক বলেন, ফুটপাত দখল করে শহরের মধ্যে ব্যবসা করছে কিছু ব্যবসায়ী। তাহলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা জনপ্রতিনিধি হাওয়ায় কারণে সরাসরি একশনে যেতে পাড়িনা। তবে এই বিষয়ে অচিরেই মেয়রের সঙ্গে কথা বলে প্রযোজনীয় ব্যবস্তা নেওয়া হবে। কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিরুল আরাফাত বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে ফুটপাত দখল মুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
