মোশারফ হোসেন ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালীর পৌর এলাকার শেরকান্দি ইকোপার্ক এলাকার কয়েকশ মিটার এলাকা নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে মসজিদ, শ্মশান সহ শতাধিক আধা-পাকা বসতবাড়ি।দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ঝুঁকির মুখে পড়েছে পৌর এলাকার শতাধিক পরিবার। নদীতে পানি কুমার সঙ্গে-সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। তাতে শহর রক্ষা বাঁধের পাশে প্রায় ১০টি অংশে ছোট-বড় ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে নদী পাড়ের মানুষের দিন কাটছে আতংকে। প্রতি বছর নদীর পানি ফুঁসে উঠলেই বাঁধ সহ আশপাশ হুমকির মুখে পড়ে। সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই বাঁধে ছিদ্র ও ধস শুরু হয়। আবার নদীর পানি কুমার সঙ্গে সঙ্গে নদী ভাঙন দেখা যায়।পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জানা যায়, এই বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু হবে।
শহর রক্ষা বাঁধের বেশ কিছু অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন পড়ে আছে। দুই বছর আগে শহর রক্ষা বাঁধে শুকনো মৌসুমে আকস্মিক ভাঙন দেখা দিয়েছিল। এতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মিটার শহর রক্ষা বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আবারো নদী ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে বাধের তীরে বসবাসকারী ছিন্নমূল ভূমিহীনদের কয়েকশ বসতবাড়ি।ঐ এলাকার বাসিন্দা মোসলেম উদ্দিন বলেন, বাঁধ নিয়ে আমরা ভয়ে থাকি। রাতারাতি নদীতে কুমতে শুরু করায় এ বাধ ধসে যেতে পারে। এখানে শতাধিক বসতবাড়ি, মসজিদ, শ্মশান রয়েছে। বাঁধ ও আশপাশ সংস্কার না করা হলে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে।এমনকি বন্যার পানি বাড়লে বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে ঘরবাড়ি সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে, আবাসন ও নদীর আশপাশের এলাকা ভাঙন বিষয়ে অবহিত করেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
