কুমারখালীতে তীব্র শীতে দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে তীব্র শীতে দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ১৫, ২০২৪

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে কয়েক দিন ধরে তীব্র শীত অব্যাহত রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে সকালে কাজে যেতে পারছে না খেটে খাওয়া মানুষ। ঠান্ডাজনিত অসুখে ভুগছে শিশু ও বয়স্করা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও বিকালের পর থেকে আবারও শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে।

কুমারখালীতে তীব্র শীতে দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ

রাত দিন সব সময় শীত অনুভূত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর মানুষের চলাচল কমে যায়। দিনমজুর আলিম শেখ বলেন, আমরা গরিব মানুষ। কাজ না করলে চলে না। তাই শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হতে হয়। তারপরওএখন কাজ তেমন নেই। কোনও দিন কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। আবহাওয়া অফিস থেকে জানা যায়, রাজশাহী, পাবনার ঈশ্বরদী, চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রির নিচে। কুষ্টিয়ার কুমারখালী, রংপুর, নীলফামারীর ডিমলা ও বরিশালে তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি বা এর আশপাশে। ঢাকায় এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সামগ্রিকভাবে গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে। শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে দিনমজুর ফেরিওয়ালা সাজাহান বলেন, শীতের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে গুড়সহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে থাকি। এখন কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড শীত ও কুয়াশায় ভ্যান চালিয়ে বিভিন্ন স্থানে যেতে কষ্ট হচ্ছে। কনকনে শীতে বের হওয়া যায় না। নৈশপ্রহরী আক্কাস বলেন, প্রচুর ঠান্ডা পড়েছে। এর ওপর রাতে ডিউটি করা লাগে। ঠান্ডার মধ্যে খুব কষ্ট হচ্ছে। শীতে জ্বর-সর্দি ও কাশিসহ নানা অসুখ লেগেই আছে। কুমারখালী আবহাওয়া অধিদফতরের ইনচার্জ সাইদুর রহমান জানান, এই অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আদ্রতা ৮৯ শতাংশ, গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার। রবিবার সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার দিন ও রাতের তাপমাত্রা দুটিই কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার আবার কিছুটা কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা।