কুমারখালীতে তীব্র শীতের কারণে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে তীব্র শীতের কারণে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৪

মোশারফ হোসেন ॥ তীব্র শীতের কারণে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এমন আবহাওয়া আরও বেশ কিছু দিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কুমারখালী আবহাওয়া অফিস। কুমারখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশিদ বলেন, কুষ্টিয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ১২ দশমিক ৮ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিদিন ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা কুমতে পারে। দেশের গোপালগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায়। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন। এমন আবহাওয়া আরও দুই থেকে তিনদিন থাকতে পারে। কুষ্টিয়া কুমারখালী-খোকসাতে পৌষের শুরুর আগেই শীতের আগাম বার্তা নিয়ে এলো হিমেল বাতাস আর কুয়াশ।

গত কয়েকদিন ধরে সন্ধ্যা হলেই শীত অনুভুত হতে শুরু করেছে। দিনে রৌদ্রজ্জ্বল, রাতে নামছে কুয়াশা আর হিম শীতল বাতাস। ভোরে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকে পুরো রাস্তাঘাট। মৃদু শীত নামতে শুরু করেছে এ জনপদে। ঘন কুয়াশা আর সূর্যকিরনের অভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে। চলতি মাসে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির উপরে ছিল না। কুয়াশা ঢেকে থাকে প্রকৃতি। কুয়াশার কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। তারপরও জীবিকার তাগিদে ঘরে বসে থাকলে চলে না অনেকেরই। ধানের শীষে কুয়াশা ভেজা পানি জমে থাকতে দেখা যায়। আর কয়েকদিনের মধ্যে পুরোদমে ঠান্ডার প্রভাব বাড়বে। সরেজমিনে দেখা গেছে, চারদিক কুয়াশায় আচ্ছন্ন। অন্যরকম দৃশ্যই চোখে পড়ে। ধান ক্ষেতগুলোতে মাকড়সার বাসায় শিশির কণা আটকে আছে।

অপরদিকে কুয়াশার কারণে সড়কের কিছু কিছু যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে। উপজেলায় গত কয়েক দিন আগে টানা বৃষ্টিতে শীতকালীন শাক-সবজির ক্ষতি হয়। এখন আবার নতুন করে শাক-সবজির চাষাবাদ শুরু করছেন কৃষকরা। খয়ের চারা  গ্রামের সবজি চাষি কেয়া বলেন, কিছুদিন আগে টানা বৃষ্টিতে  সবজির বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। কুয়াশার কারণে সবজি ও ধানের বীজ তলা নষ্ট হাওয়ায় আশংকা রয়েছে। কুমারখালী কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাইসুল ইসলাম বলেন, শীতের কারণে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস দেখা দিতে পারে। কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ে কর্মীরা কারিগরি সহায়তাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেন তিনি।